ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ বহনের ক্ষেত্রে পরিবেশ দফতরের ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক করেছে রাজ্য সরকার। আর এবার দুর্ঘটনা এড়াতে এই ধরনের পণ্যবাহী যানবাহনে সাইনেজ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। সেক্ষেত্রে সাধারণ যান থಌেকে দূরত্ব বজাꦆয় রাখার জন্য এই সমস্ত যানের সামনের এবং পিছনের দিকে সাইনেজ লাগাতে হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। কী ধরনের পণ্য বহন করা হচ্ছে সে বিষয়টি জানাতে হবে ওই সাইন বোর্ডে। এই মর্মে রাজ্য পরিবহণ দফতরের তরফে একটি গাইডলাইন জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ বহনের ক্ষেত্রে নিতে হবে প🗹রিবেশ দফতরের ছাড়✃পত্র
মূলত রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের দাহ্য রাসায়নিক পদার্থ, জ্বালানি বহনকারী ট্রাক এবং ট্যাঙ্কারের ক্ষেত্রেই এই গাইডলাইন জারি করেছে রাজ্য পরিবহণ দফতর। সম্প্রতি সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে দাঁড়িয়ে থাকা নয় একটি লরিতে ধাক্কা মারে রাসায়নিক জ্বালানি বোঝায় একটি ট্যাঙ্কার। এরফলে ট্যাঙ্কারে আগুন লেগে ঝলসে মৃত্যু হয়েছিল꧟ চালকের। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই সমস্ত কথা মাথায় রেখেই ক্ষতিকারক রাসায়নিক বহনকারী ট্রাক এবং ট্যাঙ্কারের ক্ষেত্রে এই এসওপি জারি করেছে পরিবহণ দফতর। তাতে রান্নার গ্যাস, সিএনজি, পেট্রোল, ডিজেল নানা রকমের পেট্রোলিয়াম জাত রাসায়নিক, তেজস্ক্রিয় পদার্থ, বিষাক্ত গ্যাস বহনকারী গাড়িকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে নিয়ম না মানা হলে গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
পরিবহণ দফতরের তরফে আগেই নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছিল, এই সমস্ত পণ্যবাহী গাড়িতে অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র থেকে শুরু করে রাখতে হবে স্পার্ক অ্যারেস্টর। এছাড়াও গাড়ির চালককে প্রশিক্ষিত হতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশ দফতরের ছাড়পত্র নিতে হবে বলে আগে জানিয়েছিল পরিবহণ দফতর। জানা গিয়েছে, কোথায় থেকে এই সমস্ত পণ্য আনা হচ্๊ছে? কোথায় নামানো হবে? তার যাবতীয় বিবরণ চালকের কাছে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গেলে অনুমতি দিতে হবে দুটি রাজ্য প্রশাসনের কাছ থেকে।
আধিকারিকদের মতে, গাড়িতে সাইনেজ থꦜাকলে সেক্ষেত্রে অন্য গাড়ির চালকরা তা দেখে সতর্ক হবেন এবং দূরত্ব বজায় রাখবেন। ইতিমধ্যে এই নির্দেশিকার প্রতিলিপি পুলিশ এবং ট্রাক, ট্যাঙ্কার মালিকদের সংগঠনকে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, রাসায়নিক পদার্থ পরিবহণের ক্ষেত্রে আগে থেকেই কিছু নির্দেশিকা রয়েছে। এবার সেই নির্দেশিকার সঙ্গে সঙ্গে নয়া এই নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে বলেও রাজ্য পরিবহণ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।