কোলেস্টেরল একপ্রকারের লাইকেন যা জলে মিশে যেতে পারে না। হাই কোলেস্টেরল হয়েছে কিনা বাইরে থেকে দেখে আপনি তা বুঝতে পারবেন না। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মগুলি বন্ধ করে দেয়। তাই ডাক্তারি ভাষায় একে সাইলেন্ট কিলার বলা হয়ে থাকে।আপনার শরীর কে সঠিকভাবে কাজ করানোর জন্য কোলেস্টলেরে প্রয়োজন হয়ে থাকে। আবার এই কলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেও হয়ে থাকে ক্ষতি। ধূমপান, অ্যালকোহল, সেবন এবং চর্বি যুক্ত খাবার হাই কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়ায়।বাইরে থেকে দেখে অতি সহজে বোঝা না গেলেও ডাক্তাররা বলে থাকেন, এমন কিছু লক্ষণ থাকে সেগুলি দেখলে সহজেই বোঝা যাবে যে আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই জিনিসগুলি।হাই কোলেস্টেরলের সঙ্গে হাতের ও পায়ের আঙ্গুলের কী সম্পর্ক?জেন মাল্টি স্পেশালিটি হসপিটালের বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট ড. নারায়ণ গডকর বলেছেন পা-হাতের আঙ্গুলের ব্যথা এবং ফুলে যাওয়া হাই কোলেস্টেরলের কারণ ও লক্ষণ। যা হাতে পায়ের আঙ্গুলের মাঝে রক্ত চলাচলকে আটকে দেয়।গাঁটে গাঁটে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে পায়ের ব্যথা, হাঁটতে চলতে অসুবিধে হতে পারে। হঠাৎ করে যদি লক্ষ্য করেন আপনার হাতের তালু, কনুই, হলুদ হয়ে গিয়েছে তাহলে ভাববেন আপনার কোলেস্টেরল বেড়েছে।লক্ষ্য করে থাকবেন আপনার হাত ও পায়ের পাতা মাঝে মাঝে ঠান্ডা হয়ে যায় কিনা, অনেকে ভাবেন ঘাম দেওয়ার জন্য এমনটা হয় কিন্তু তা আসলে নয়। এটিও কিন্তু কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ারই লক্ষণ। অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে লক্ষ করা যাবে নখ চুল সাদা হয়ে যাওয়া।কীভাবে হাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করবেন?উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। যদিও নিয়মিত ওষুধ খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তবে দৈনন্দিনের লাইফস্টাইলের পরিবর্তনগুলি আপনাকে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ধূমপান বা মদ্যপান না করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং স্বাস্থ্যকর শরীরের ওজন বজায় রাখা-- এমন কিছু পরিবর্তন আপনার লাইফস্টাইলের সঙ্গে যোগ করতে পারেন।