ইদের সকালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জন শ্রমিকের। নবনির্মিত বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ড রিজার্ভারে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। সেই রিজার্ভারে নেমে এভাবে প্রাণ দিতে হবে তা কেউ কল্পনাও ༒করেননি। ওই দুই শ্রমিক রিজার্ভারের ভিতরে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের জেরেই মারা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। বিষাক্ত গ্যাস সেখানে তৈরি হয়েছিল। সুরক্ষাকবচ ছাড়া সেখা🥂নে নামা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার জেরেই ওই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে নেমে সেই কথাই মনে করছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে আসানসোল হিরাপুর থানা এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।
এদিকে নবনির্মিত বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ড রিজার্ভারে কাজ করতে নেমে দুই নির্মাণ কর্মীর মৃত্যু নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আসানসোল দমকল বাহিনী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চেষ্টায় মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। স💙্থানীয় সূত্রে খবর, একটি নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছিল এখানে। তার আন্ডারগ্রাউন্ড রিজার্ভারের ভিতরে নেমে দুই নির্মাণ কর্মী কোনও কাজ করছিল। বেশ কিছুক্ষণ যখন দু’জনেরই কোনও আওয়াজ বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা পাচ্ছিলেন না তখন তাঁরা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে আসেন। আর খবর পেয়ে আসানসোল থেকে দমকল বাহিনীও পৌঁছয়। ইতিমধ্যেই মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রামনবমীর পোস্টার ঘিরে তুমুল বিতর্ক শহরে, নরেন্দ্র মোদী–শুভেন্দু অধিকারীর ছবি রয়েছে
অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, হিরাপুর থানার অন্তর্গত ইসমাইল ৬০ ফুট রাস্তার কাছে একটি পুরনো বাড়িকে ভেঙে নতুন ইমারত তৈরি করার কাজ চলছিল। আজ সোমবার সকালেও ওই বাড়িতে কাজ শুরু হয়। সকাল ৯টা নাগাদ ওই বাড়ির নিচের রিজার্ভারের ভিতর নেমে পড়েন এক নির্মাণকর্মী। তার পরে তাঁর অনেকক্ষণ সাড়া না পেয়ে তাঁর আর এক সহকারি রিজার্ভারের ভিতর নামেন। কিছুক্🍃ষণের মধ্যেই তিনিও অচৈতন্য হয়ে পড়েন। এই দু’জনের সাড়া না পেয়ে বাকি নির্মাণ কর্🦩মীরা সেখানে পৌঁছন। আর তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন।
তাছাড়া সেখানে বিষাক্ত গ্যাস রয়েছে সেটা বুঝতে পারেন বাকিরা। তাই খবর দেওয়া হয় পুলিশ এবং দমকলে। পুলিশ ও দমকলকর্মীরা দ্রুত সেখানে এসে ওই রিজার্ভারের নিচ থেকে দুই শ্রমিককে উদ্ধার করেন। তখনই কয়েক ফুট নিচে জল জমে ছিল দেখতে পান তাঁরা। বাইরে থেকে রিজার্ভারে তখন জল ঢালা শুরু হয়। কিছুটা জল ভর্তি হলে তারপর ওই অচৈতন্য দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে পুলিশ ও দমকলকর্মীরা। তাঁদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দু’জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত দুই শ্রমিকের প💝রিচয় মেলেনি। তবে ইদের দিন ওই এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।