ಞ পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট বিস্ফোরণে মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকেই ওই অবৈধ বাজি কারখানার দুই মালিক গা–ঢাকা দেয়। কিন্তু জেলা পুলিশের তৎপরতায় আগেই একজন মালিক ধরা পড়ে যায়। তবে ধরা পড়ছিল না আর একজন মালিক। এবার চারদিনের মাথায় দ্বিতীয়জন মালিকও পুলিশের জালে উঠে এল। সুতরাং এই দু’জন মালিক গ্রেফতার হয়ে গেল। চারদিন গা–ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হল না। এবার গ্রেফতার হল কারখানার আর এক মালিক তুষার বণিক। আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ।
🌟এদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় এই অবৈধ বাজি কারখানা থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের জেরে ওই কারখানার মালিক তথা দুই ভাই চন্দ্রকান্ত বণিক এবং তুষার বণিকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। দুই ভাইয়ের মধ্যে চন্দ্রকান্ত বণিককে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আজ, শুক্রবার সকালে ছোট ভাই তুষার বণিককে গ্রেফতার করল তদন্তকারী অফিসাররা। তুষার বণিককে আজই আদালতে তোলা হবে বলে সূত্রের খবর। এই ঘটনায় শিশু–মহিলা মিলিয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তা জীবন্ত দগ্ধ অবস্থায়।
আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র–সহ কুখ্যাত গ্যাংস্টার গ্রেফতার রিষড়ায়, রামনবমীতে নাশকতার ছক কষেছিল
অন্যদিকে এই ঘটনার পরই বিরোধীরা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে থাকে। তখন গোটা ঘটনা নিয়ে নবান্ন থেকে জেলাশাসককে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। সেই রিপোর্ট নবান্নে জমা পড়েছে। আর তার পরই গ্রেফতার হল অবৈধ বাজি কারখানার দ্বিতীয় মালিক তুষার বণিক। তাকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। ঢোলাহাট অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ যায় বণিক পরিবারের আট সদস্যের। নিজেদের বাঁচাতে গা–ঢাকা দেয় তারা।꧟ গ্রামবাসীরা এই দুই মালিকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পুলিশকে জানিয়েছিলেন। আজ তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।
এছাড়া বাসন্তী পুজো উপলক্ষ্যে গত সোমবার রাতে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট থানা এলাকার বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বেআইনিভাবে বাজি তৈরি হচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, রাত ৯টা নাগাদ হঠাৎই বাজির স্তূপে আগুন লেগে যায়। তা থেকেই একের পর এক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে চন্দ্রকান্ত বণিককে গ্রেফতার করে পুলিশ।🧸 আর তুষার বণিককে আজ, শুক্রবার গ্রেফতার করেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। ফরেনসিক টিম আগেই ওই এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে।