মাল🦋দার মোথাবাড়িতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় এবার কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট পেশ করতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টেরই পর্যবেক্ষণ ছিল, মোথাবাড়িতে যা ঘটেছে, তারপর রাজ্য সরকারকেই আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে হ𒊎বে। সকলেই চায় সর্বত্রই শান্তি বজায় থাকুক। সেটা রাজ্য প্রশাসনকেই নিশ্চিত করতে হবে। আপাতত এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু, যদি রাজ্য সরকার তার দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন দেখা যাবে।
মোথাবাড়ির ঘটনায় আজ (বৃহস্পতিবার - ৩ এপ্রিল, ২০২৫) ফের শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্ট♚ের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চে। আগেই এই মামলায় সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। এদিন রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে সেই রিপোর্ট পেশ করা হয়।
এদিনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে হাজির ছিলেন এএসজি। তিনি আদালতকে বলেন, 'চাইলে কেন্দ্রীয় সরকার (মোথাবাড়িতে) বাহিনী মোতায়েন করতে পারে...। রাজ্য সরকার যে বলছে আমাদের কোনও ভূমিকা নেই, এটা ঠিক নয়। এটা খুব গুরুতর একটি বিষয়।💜' কেন্দ্রের আইনি প্রতিনিধির এহেন মন্তব্যের পর এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান জানতে চেয়ে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয় আদালত।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মালদার মোথাবাড়িতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই একাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে। বহু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার𝔍 ফুটেজ দেখে অশান্তিতে ইন্ধন জোগানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।
মালদা জেলা পুলিশ আগাগোড়া এই ঘটনায় আমজনতাকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জান⛎িয়েছে। প্ররোচনায় পা না দেওয়ার এবং সোশাল মিডিয়া বা যেকোনও ভার্চুয়াল মাধ্যমে কোনও গুজব না ছড়ানোর জন্য সতর্ক করেছ💮ে।
অন্যদিকে, মোথাবাড়ির ঘটনার পর থেকেই বিজেপি সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলছে। এমনকী, মোথাবাড়ির ঘটনায় বাংলাদেশ যোগ থাকতে পারে বলেও অভিযোগ করেছেন বজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় এলাকায় এমন বহু মানুষকে নাকি দ𓆉েখা গিয়েছিল, যাঁদের স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ চেনেন না। সুকান্তর অভিযোগ, ওই🍒সব অচেনা অজানা লোকজন আসলে বাংলাদেশ থেকে এসেছিল।
এদিকে আবার মোথাবাড়ি যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আদালত তাঁকে মামলা রুজু করার অনুমতিও দিয়েছ🧸ে। তার মধ্য়েই মোথাবাড়িতে ইদ পালনের খবরও সামনে এসেছে। আর, এবার এই ঘটনায় কেন্দ্রের রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।