সদ্য কেন্দ্রীয় ফরমান অনুযায়ী আজ থেকে বেড়ে গিয়েছে জাতীয় সড়কে টোল ট্যাক্স। আর তার মধ্যেই আজ, মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট নয়া🔥 নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। সেই নির্দেশে বলা আছে, জাতীয় এবং রাজ্য সড়কগুলিতে নির্দিষ্ট বিধি মেনে ব্যারিকেড ব্যবহার করতে হবে। কারণ এই জাতীয় এবং রাজ্য সড়কগুলিতে নিত্যদিন পথ দুর্ঘটনা ঘট🎃ে। তাই রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই বিষয়টি নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তার শুনানি চলাকালীনই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যা নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে।
শুধু যে রাজ্য সড়ক এবং জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনা ঘটে এমন নয়। উড়ালপুলেও পথ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তবে উড়ালপুল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট কোনও নির্দেশ দেয়নি। কারণ উড়ালপুলে নানা যন্ত্র যেমন বসানো থাকে তেমন পুলিশের টহলও দেওয়া হয়। যার ফলে তীব্র গতিতে যাওয়া সম্ভব হয় না। এই বেপরোয়া গতিতে যানবাহনের দাপট দেখা যায় রাজ্য সড়ক এবং জাতীয় সড়কগুলিতে। গাড়ির গতি কমানোর জন্য ব্যারিকেড দেওয়া হয়ে থাকে। এগুলি জাতীয় এবং রাজ্য সড়কগুলিতেও থাকে। কিন্তু তা নিয়ম মেনে থাকে না বলেই পথ দুর্ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। তাই ধ্রুব মুখোপধ্যোয় নামে এক ব্যক্তি দায়ের করেন জনস্বার্থ মামলা। সেখানে দাবি করা হয়, জাতীয় সড়কগুলিতে কোনও আইন না মেনে যেখানে–সেখানে ব্যারিকেড দেওয়া থাকে। তাই রোজই পথ দুর্ঘটনা ঘটছে। কোনও নির্দিষ্ট বিধি মানা ♒হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: বাজেট অধিবেশনে অনুপস্থিত তিরিশ জনের বেশি বিধায়ক, সশরীরে হাজিরার ফরমান তৃণমূলের
ধ্রুব মুখোপধ্যোয়ের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য কলকাতা হাইকোর্টে দাবি করেন, কদিন আগে ব্যারিকেডের জন্যই জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী। আর তার জেরে ওই আইনজীবীর মৃত্যুও হয়েছিল। এই ঘটনার পর জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সরাসরি জানিয়েছিল, জাতীয় সড়কে তারা কোনও ব্যরিকেড দেয় না। পাল্টা পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষই ব্যারিকেড দিয়ে থাকে। যদি ব্যারিকেড দেওয়া না থাকে জাতীয় সড়কে সেটা সঠিক কাজ নয়। আবার নির্দিষ্ট বিধি না মে﷽নে দেওয়াও ঠিক নয়। তাই কলকাতা হাইকোর্টকে এবার নির্দেশ দিতে হল।
এই ব্যারিকেড ইস্যুতে রাজ্য সরকার কলকাতা হাইকোর্টে জানিয়েছে, রাতে যান নিয়ন্ত্রণ এবং ভিনরাজ্য থেকে আসা পণ্যবাহী গাড়িগুলির উপর নজরদারি রাখতে জাতীয় সড়কে ব্যারিকেড দেওয়া হয়ে থাকে। পথ দুর্ঘটনা বা গাড়ির গতি কমাতেও ব্যারিকেড জরুরি। তাই সেগুলি সরালে আরও সমস্যা বাড়বে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, রাজ্য সরকার এবং ধ্রুব মুখোপধ্যোয়ের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য সব পক্ষের কথা শুনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, জাতীয় সড়ক 📖এবং রাজ্য সড়কগুলিতে এমনভাবে ব্যারিকেড দিতে হবে যাতে রাতে অন্তত ১০০ মিটার দূর থেকে তা দেখা যায়। যেখানে সেখানে ব্যারিকেড দেওয়া যাবে না। এমনকী কোন জায়গাগুলিতে ব্যারিকেড ব্যবহার করা হবে সেটা নির্দিষ্ট করতে রাজ্যকে। আর তা নিয়ে একটি নির্দেশিকাও🦂 জারি করতে হবে।