মৃত্যুর পরব𒅌র্তী সময়ের উপর সিনেমা বানিয়ে বেকায়দায় মালয়েশিয়ার দুই পরিচালক ও প্রযোজক। অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ আনা হয়েছে এই দুজনের উপর। সিনেমাটি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ ঘোষণা হয়েছে। যদিও এই ঘটনাকে নিয়ে নিন্দে করেছেন অনেকেই। অনেকেরই মত, এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ।
𝔍‘মেনটেগা টেরবাং’-এর পরিচালক ও সহ-স্ক্রিপ্ট লেখক মোহাম্মদ খাইরি আনওয়ার জেলানি এবং প্রযোজক তান মেং খেং-এর বিরুদ্ধে স্বাধীন, স্বল্প বাজেটের সিনেমার মাধ্যমে ‘ইচ্ছ🥀াকৃতভাবে অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার’-র জন্য দোষী হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। এবার দোষ প্রমাণিত হলে তাদের এক বছরের জেল, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
প্রতিরক্ষা আ🤡ইনজীবী এন. সুরেন্দ্রন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দুজনেই বিশ্বাস করেন যে তাঁদের উপর আনা এই অভিযোগ ‘অযৌক্তিক এবং অসাংবিধানিক’ কারণ এটি তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করে। ‘এগুলি ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং আমরা সেই অভিযোগগুলিকেꦗ আদালতে চ্যালেঞ্জ করব’, তিনি বলেছেন।
২০২১ সালে একটি আঞ্চলিক চলচ্চিত্র উৎসবে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাট🌊ি একটি মুসলিম মেয়েকে ঘিরে আবর্তিত। যে চিন্তিত তাঁর অসুস্থ মা মারা যাওয়ার পর কোথায় যাবূ। আর সেটা নির্ধারণ করতে অন্য ধর্মের অন্বেষণ করে। মুসলিমদের ক্ষুব্ধ করেছিল যে দৃশ্যগুলি তা হল মেয়েটিকে শুয়োরের মাংস খেতে ইচ্ছুক দেখায়, যা ইসলামে নিষিদ্ধ। একইসঙ্গে পবিত্র জল পান করার ভান করার ভান করা ও মেয়েটিকে ইসলাম ত্যাগ করতে তার বাবার সমর্থন জানানো নিয়েও উঠেছে ক্ষোভ। এটি বানানোয় খাইরি আনওয়ারকে খুন করার 🅰হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
ছবিটি নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে গত বছর হংকংয়ের একটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে দেখানো হয়েছিল। কোনো কারণ♊ না দেখিয়ে গত সেপ্টেম্বরে ছবিটি নিষিদ্ধ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত হওয়ার আগেই সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন দুই চলচ্চিত্র নির্মাতা।
মালয়েশিয়ায় জাতি ও ধর্ম সংবেদনশীল বিষয়। এই দেশে মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ বেশি রয়েছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। এবং ধর্মত্যাগকে এখানে পাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ♕ছাড়াও এই দেশে রয়েছেন চীনা এবং ভারতীয় সংখ্যাল𓃲ঘুরা, যারা বৌদ্ধ, হিন্দু এবং খ্রিস্টান।
বুধবার আদালত বিচার চলাকালীন এই দুই চলচ্চিত্র নির্মাতাকে মামলা সম্পর্কে নিজেদের বিবৃতি দিতে নিষেধ করে। এবং♚ তাদের মাসিক পুলিশের কাছে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেন। খাইরি আনওয়ার বলেছেন যে, এটি সম্ভবত প্রথম যেখানে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে দেশে অপরাধমূলকভাবে অভিযুক্ত কর🌠া হয়েছে।