সংসদে ওয়াকফ সংশোধনী বিল উত্থাপন হতে পারে আছ। আর এরই মধ্যে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিল অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)। আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দলের দিল্লি রাজ্য সভাপতি শোয়েব জামি এই নিয়ে বলেছেন, যদি মুসলিমদের উপর জোর করে এই বিল চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় তবে দেশব্যাপী আন্দোলন হবে এবং সেটা দিল্লি থেকে শুরু হবে। (আরও পড়ুন: ভারতে ওয়াকফের অধীনে কতটুকু জমি আছে? ꦅসেই সব সম্পত্তির দাম কত?)
আরও পড়ুন: নিয়ন্ত♐্রণরেখা পেরিয়ে সেনা চৌকিতে গুলি পাক জওয়ানদের, পালটা জবাব ভারতের
শোয়েব জামি বুধবার লেখেন, 'মুসলিমদের উপর জোর করে ওয়াকফ বিল চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে এবং তা দিল্লি থেকেই শুরু হবে। গতবার যেখানে আন্দোলন শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই শুরু করব। আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করব এবং সংবিধানে প্রদত্ত সংখ্যালঘুদের অধিকারের ওপর আঘাত সহ্য করব না।' (আরও পড়ুন: 'গাধা সবসময় গাধাই থাকে', জিবলি আর🤡্টে ♊ট্রোল ইউনুস, মিমের ছড়াছড়ি সোশ্যাল মিডিয়ায়)
শাহিনবাগের প্রতি ইঙ্গিত কী?
'আন্দোলন যেখানে শেষ হয়েছে, সেখান থেকেই শুরু হবে', শোয়েব জামাইয়ের বক্তব্যের এই অংশ শাহিনবাগ বিক্ষোভের প্রতি ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে দিল্লির শাহিনবাগে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছিল। শত শত মহিলা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে ধর্নায় বসেছিলেন। (আরও পড়ুন: ওয়াকফ বিল পাশ করাতে সংসদে লাগবে কত ভোট? লোকসভা, রাজ্যসভায় নম্বর আছে BJP-র 🙈কাছে?)
আরও পড়ুন: দাসপুরে 'জিহাদিদের হ😼াতে আক্রান্ত' সন্ন্যাসী, হাসপাতালে গিয়ে দেখে এলেন শুভেন্দু
বুধবার লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশ করা হলে এর বিরোধিতা করবে এআইএমআইএম-সহ একাধিক দল। এদিকে এই বিল নিয়ে তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি), জনতা দল-ইউনাইটেড (জেডিইউ), শিবসেনা এবং লোক জনশক্তি পার্টির (রাম বিলাস) সমর্থন পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে কংগ্রেস, তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি এই বিলের বিরোধিতা করছে। এআইএমআইএম-ও এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আওয়াজ তুলছে। এবার দিল্লিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিল দল। এআইএমআইএম এই বিলকে 'মুসলিম বিরোধী' বলে আখ্যা দিয়েছে। (আরও পড়ুন: ‘যেই দেশ সৃষ্টিতে…’, উত্তরপ𝐆ূর্ব ভারত নিয়ে 🃏ইউনুসের উস্কানিতে মুখ খুলল কংগ্রেস)
আরও পড়ুন: এ যেন 'অস⛎াধ্য সাধন' ইউনুসের! এবার একজোট রাম-বাম, উঠল 'বাংলাদেশ ভাগের' ডাক
ওয়াকফ সম্পত্তি ইসলামের অনুসারীদের দ্বারা দান করা হয় এবং সম্প্রদায়ের সদস্যদে𒆙র দ্বার♚া পরিচালিত হয়। প্রতিটি রাজ্যের একটি ওয়াকফ বোর্ড রয়েছে। উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে আবার শিয়া এবং সুন্নিদের জন্যে পৃথক ওয়াকফ বোর্ড আছে। ওয়াকফ আইন, ১৯৯৫ সংশোধন করার লক্ষ্যে আজ সংসদে পেশ করা হতে পারে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল, ২০২৪। ওয়াকফ বোর্ডগুলির কাজকর্মে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই বিল আনা হচ্ছে। যদিও মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ এর বিরোধিতায় সরব হয়েছে।