রাক্ষস বা হিংস্র যন্ত্রণায় মস্🐽তিষ্ক খেয়ে ফেলল অতি ক্ষুদ্র অণুজীব জীব অ্যামিবা। যার বৈজ্ঞানিক নাম হল- অ্যামিবিক মেনিন গোয়েনসেফালাইটিস। এরফলে ফলে কারণে মৃত্যু হল ১৪ বছরের আরও এক কিশোরের। এই নিয়ে মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে রাজ্যে তিনটি এই ধরনের ঘটনা ঘটল। জানা যায়, ওই কিশোর বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। বুধবার রাত ১১:৩০ টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে একথা ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঘিলুখেকো অ্যামিবাই প্রাণ কাড়ল আবার, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত বোঝ𒅌াই যায়নি রোগ
জানা গিয়েছে, ওই ব♐েসরকারি হাসপাতালে অ্যামিবিক মেনিন গোয়েনসেফালাইটিসের চিকিৎসা চলছিল কিশোরের। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কিশোরটি কয়েকদিন আগেই এলাকার একটি ছোট পুকুরে স্নান করতে নেমেছিল। তার কয়েকদিন পরেই সে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। এমন অবস্থায় উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। আগেই এনিয়ে অবশ্য সতর্কতা জারি করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় এই সংক্রমণ থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায় তা নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়েছে।
উল🃏্লেখ্য, এর আগেও একইভাবে এই জাতীয় অ্যামিবার সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে রাজ্যে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে𒀰ছিল গত ২১ মে মালাপ্পুরামে। সেখানে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৫ বছর বয়সি এক শিশুর। তারপরে কান্নুর জেলায় গত ২৫ জুন ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীর মৃত্যু হয়। আর এবার আরও একজনের মৃত্যু হল।
কীভাবে ছড়ায় সংক্রমণ?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত স্থির জলে বিশেষ করে পুকুর, হ্রদ, ডোবা এমনকী সুইমিং পুলের জলেও এই ধরনের পরজীবীরা বাস করে। নাক দিয়ে শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে মস্তিষ্কে সংক্রমণ ঘটায়।আর 🅠এই সংক্রমণে মৃত্যুর হার খুবই বেশিꦆ। উপসর্গ দেখা দেওয়ার ৫ দিনের মধ্যেই সাধারণত মৃত্যু হয় রোগীর।
প্রাথমিক পর্যায়ে মꦓাথা যন্ত্রণা, জ্বর ও বমি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত কোমা ও তার পর মৃত্যু। অণুজীবটি দেহে প্রবেশ করার ১ থেকে ১২ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। এর আগে ২০২৩ এবং ২০১৭ সালে কেরল♑ের উপকূলীয় জেলা আলাপুজায় এই ধরনের সংক্রমণ ছড়িয়েছিল।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। তাদের কথায়, ২৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমা🎃ত্রা অ্যামিবার ♏বংশ বিস্তারের জন্য আদর্শ। পুল এবং স্পা মালিকদের নিয়মিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলে ক্লোরিন দেওয়া উচিত। নাহলে জল নিয়মিত পরিবর্তন করা উচিত যাতে অ্যামিবা বাড়তে না পারে।