থাইল্যান্ডে বিমস্টেক সম্মেলনের ফাঁকে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মহম্মদ ইউনুসের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ। এই কথা জানিয়েছেন খোদ বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। আর এরই মাঝে জানা গেল, বাংলাদেশ সফরে যেতে চলেছেন পাক বিদেশমন্ত্রী এবং পাক বিদেশ সচিব। পাঁচদিনের ব্যবধান পাকিস্তানের বিদেশ সচিব এবং পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী যেতে চলেছেন বাংলাদেশ। এর আগে ইউনুস মসনদে বসার পরে ঢাকায় গিয়েছিলেন 🍸উচ্চপদস্থ আইএসআই কর্তারা। এদিকে পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ইতিমধ্যেই মুখোꩲমুখি হয়েছেন ইউনুস। তবে দীর্ঘ কয়েক বছর পরে ঢাকায় কোনও পাক মন্ত্রী পা রাখতে চলেছেন। যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশি সংবাদপত্র প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ১৭ এপ্রিল ঢাকায় বাংলাদেশ বিদেশসচিব মহম্মদ জসিমউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক হবে পাকিস্তানের আমলা বালুচের। এরপর ২২ এপ্রিল পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার ঢাকায়🧜 বৈঠক করবেন বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে। এদিকে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউুসের সঙ্গেও পাক বিদেশ সচিব এবং পাক বিদেশমন্ত্রী সাক্ষাৎ করবেন এই সফরকালে। এদিকে বাংলাদেশ বিদেশ মন্ত্রকের কয়েকজন কর্তা নাকি প্রথম আলোর কাছে দাবি করেছেন, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, আকাশপথে যোগাযোগ সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। এর আগে শেষবার ২০১০ সালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল বলে জানা যায়। এই আবহে পাকিস্তানের শীর্ষ আধিকারকের ঢাকা সফরের বিষয়ে আলোচনা করতে ২০ মার্চ বাংলাদেশি বিদেশ মন্ত্রকের আমলাদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঢাকায়।
হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে জামায়েতর উত্থান দেখা গিয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত পাক🙈 হাইকমিশনার বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনীতিবিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সাম্প্রতিককালে। এই আবহে সম্প্রতি ওআইসি-র সম্মেলনের ফাঁকে ৯ মার্চ বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বৈঠক করেন পাক বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে। ঢাকায় নিযুক্ত পাক হাইকমিশন এরপরে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেই বৈঠক 'ইতিবাচক' ছিল বলে জানানো হয়। দুই দেশের সম্পর্কে উন্নতির বিষ𒐪য়টি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশ সেনার উচ্চপদস্থ ৬ কর্তা পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। গত ১৭ জানুয়ারি তাঁরা ৬ দিনের সফর সেরে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। আর এরপরই গত ২১ জানুয়ারি পাকিস্তানের থেকে একটি সামরিক কর্তাদের দল যায় বাংলাদেশে। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাক আধিকারিকদের চার সদস্যের দলটি ৩ দিনের ﷺসফরে বাংলাদেশে গিয়েছিল। তবে সরকারি ভাবে এই সফর নিয়ে মুখ কুলুপ এঁটেছিল ইসলামাবাদ থেকে ঢাকা। তবে দাবꦆি করা হয়েছিল যে সফররত পাক দলে আইএসআই প্রধানও। যদিও সেই দাবি খারিজ করেছিল ঢাকা।
এর আগে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, চিনে তৈরি যুদ্ধবিমান কিনতে পাকিস্তানের কাছে আগ্রহণ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সেনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসএম কামরুল হাসান সম্প্রতি পাক সেনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করে জেএফ-১৭ থান্ডর যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে দাবি করা হয়। পাক সেনাপ্র🌞ধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন পাক সফরকালে। সেই ছবি পাক সামরিক বাহিনী🌌র জনসংযোগ বিভাগ প্রকাশ করে দিয়েছিল। এরপরই বাধ্য হয়ে নাকি ঢাকাকে সেই খবরের কথা প্রকাশ করতে হয়েছিল।