তেলা😼ঙ্গানার বিরোধী দল ভারত রাষ্ট্রসমিতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাঁর ১৬ দিন জেলব বন্দি থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে তিনি ১৬ দিনের জন্য ছিলেন জেলবন্দি। ড্রোন ওড়ানো নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এক অভিযোগ ছিল। আর তার দায়েই এই কারাবাস। এনডিটিভির রিপোর্টে দাবি ꦫকরা হচ্ছে, যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ছিল, তাতে সেই অপরাধ অনুযায়ী তাঁর ৫০০ টাকা জরিমানা হওয়ার কথা ছিল।
চেরাপল্লি জেলে আটক থাকা অবস্থায় কেমন ছিল তাঁর ১৬ দিনের কারাবাসের অভিজ্ঞতা? তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। তিনি বলেন,' বড় বড় পোকা ছিল, মথ ছিল, বিশাল বড় টিকটিকি ছিল পোকা ধরার জন্য। সিলিংএ থাকা টিউবলাইটে অন্তত ৩০-৪০ টা এমন ঝুলছিল। কনস্টেবল বলেন, তাঁর কাছে নির্দেশ নেই আলো বন্ধ করার।ফলে ১🔜৬ দিন ধরে আমি রাতে ঘুমাইনি। সবাই জাগার পর, সবাই বের হওয়ার পর, আমি গিয়ে গাছতলায় ঘুমোতাম।' ক্ষোভের সুর ধরে রেখে তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী বলেন,' যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে আমি বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের সেখানে নিয়ে যেতে পারি বাস্তবতা দেখানোর জন্য। যে সেলে কথা ছিল আইএসআই বা নকশাল চরমপন্থীদের বন্দি করার, আমি, একজন সংসদ সদস্য, সেখানে ১৬ রাত কাটাতে বাধ্য হয়েছিলাম।' তিনি বলেন, মেয়ের বিয়ের কার্ড বিতরণের জন্যও তাঁকে ছাড়া হয়নি। সেক্ষেত্রে তিনি আগের ওক জেলের মেয়াদের কথা বলেন, যে ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ছিল। রেবন্ত বলছেন,'এটা আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়? তবে, আমি প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কোনও কাজ করিনি। আমি যদি প্রতিশোধ নিতে চাইতাম, তাহলে তোমার পুরো পরিবার চেরলাপল্লি জেলে থাকত। আমি ꩵতা করিনি এবং বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছি। মানুষ আমাকে প্রতিশোধমূলক রাজনীতির জন্য জনাদেশ দেয়নি।' এই বক্তব্য তোলাঙ্গানার বিধানসভায় রাখেন রেবন্ত।
রাজ্য বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিশোধ নিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী এবং বিআরএস প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের ♏ছেলে কেটি রামা রাও। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের সময় আমিও ওয়ারঙ্গল জেলে গিয়েছিলাম। আমরা যদি আপনার জুবিলি হিলসের বাড়ির উপর ড্রোন উড়াই, আপনি কি চুপ থাকবেন? আপনার স্ত্রী বা 🍨আপনার সন্তান যদি সেখানে থাকে এবং কেউ তাদের ছবি তোলে তাহলে আপনার কেমন লাগবে?’