𝔉 ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধারের সংযুক্তিকরণের জন্য দ্রুত আলোচনা শুরু করা হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের সচিব, কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব এবং ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (UIDAI) সিইওয়ের সঙ্গে আলোচনার পরে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমান আইন এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সেই কাজটা করার জন্য শীঘ্রই বিশেষজ্ঞ এবং আধার সংস্থা ইউআইডিএআইয়ের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সংবিধানের ৩২৬ ধারার নিরিখে শুধুমাত্র ভারতের নাগরিকদেরই ভোটাধিকার আছে। আর কারও পরিচিতি নিশ্চিত করে আধার কার্ড। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সংবিধানের ৩২৬ ধারা এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৩ (৪) ধারা, ২৩ (৫) ধারা ও ২৩ (৪) ধারার আওতায় আধার কার্ডের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণ করা হবে। মেনে চলা হবে ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশিকাও।
𓆉যদিও ২০২৩ সালের এপ্রিলে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, এখনও ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধারের তথ্য সংযুক্ত করা হয়নি। সেই কাজটা করার সময় নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা নির্ধারণ করেনি কেন্দ্র। সেইসঙ্গে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়নি, যে ভোটাররা তাঁদের ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের তথ্য লিঙ্ক করবেন না, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না।
‘ক্রেডিট’ নেওয়ার চেষ্টায় কংগ্রেস
🅷আর সেই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কমিশনের তরফে যে ঘোষণা করা হল, তারপরই ‘ক্রেডিট’ নেওয়ার চেষ্টা করেছে কংগ্রেস। শতাব্দীপ্রাচীন রাজনৈতিক দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, কংগ্রেস এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ভোটার তালিকা নিয়ে যে অভিযোগ করে আসছিলেন, তাতে মান্যতা দিল কমিশন। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনেও সেটা দেখা গিয়েছিল। সেইসঙ্গে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনের পুরো সচিত্র ভোটার তালিকা প্রকাশ করার আর্জি জানিয়েছে কংগ্রেস।
মমতা-অভিষেকদের জয় হল কি?
ܫতবে শুধু কংগ্রেস নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফেও ভোটার তালিকা নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলা হয়। মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা দাবি করেছেন যে আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের লোকেদের নাম তোলা হয়েছে। একাধিক ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের ‘উদাহরণ’-ও দেন তাঁরা। পরবর্তীতে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয় যে পাসপোর্ট, আধার কার্ডের মতো ভোটার কার্ডেরও ‘ইউনিক’ নম্বর রাখা হোক।
‘ভূত’ ধরতেও পদক্ষেপ কমিশনের
♔তারইমধ্যে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে 'ভূতুড়ে ভোটার' ধরতে নিজেদের সফটওয়্যারে নতুন একটা বিকল্প চালু করবে। সেটার ফলে একই এপিক নম্বরে একাধিক নাম আছে কিনা, তা খুঁজে দেখতে পারবেন আধিকারিকরা। কমিশনের এক আধিকারিক জানান, সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের জানানো হয়েছে।