চলন্ত ট্রেনে চলছিল দুই যাত্রীর বচসা। আর সেখান থেকেই ঘটে গেল শিহরণ জাগানো ঘট♊না। এই বচসার জেরেই একযাত্রীকে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেল💮ে দিলেন আর এক সহযাত্রী। এমনই অভিযোগ উঠল শনিবার রাতে হাওড়া–মালদা ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের অন্য সহযাত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার ভিডিয়ো করে ফেলেন অন্য এক সহযাত্রী। এখন সেই ভিডিয়ো দেখেই অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে রেল পুলিশ। যদিও ওই ভিডিয়ো’র সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা ডিজিটাল। তবে তারাপীঠ রোড এবং রামপুরহাট স্টেশনের মাঝখানের একটা জায়গায় এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে রেল পুলিশ সূত্রে খবর।
ঠিক কী দেখা গিয়েছে ভিডিয়ো–তে? শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া–মালদা ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, চলন্ত ট্রেনে দুই যাত্রী প্রথমে বচসা। তারপর একে–অপরকে ধাক্কাধাক্কি। সেখান থেকে এক যাত্রী অপরজনকে ঠেলে ফেলে দেন চলন্ত ট্রেন থেকে। আর তারাপীঠ ঢুকে অভিযুক্তকে দেখা যায় করজোড়ে প্রণাম করতে। হাড়হিম করা সেই ভিডিয়ো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে রেল পুলিশ। রেললাইনের ধার থেকে ওই যাত্রীไকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর জখম যাত্রীর বাড়ি বীরভূমের রামপুরহাট থানার সুঁদিপুর🐓ে।
ঠিক কী বলছে রেল পুলিশ? রেল ﷺপুলিশের দাবি, তারাপ🗹ীঠ–রামপুরহাট স্টেশনের মাঝখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে। যাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে তাঁর নাম সজল শেখ। বাড়ি বীরভূমের রামপুরহাট থানার সুঁদিপুরে।♌ তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে꧂ছে।
কী বলছেন জনসংযোগ আধিকারিক? এই বিষয়টি জানিয়েছেন পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘ওই যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভ🥂র্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে আমরা জানতে পেরেছি। ওই সময় ভিডিয়ো করেন আর এক সহযাত্রী। তা দেখে অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে রেলপুলিশ।’