ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে পুলিশের বিরু♑দ্ধে ওঠা নির্যাতনের অভিযোগে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের কাছে ২ সপ্তাহের মধ্যে জবাব চাইল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বৃহস্পতিবারই পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খ🧸াঁ। পরদিনই পুলিশ কমিশনারের জবাব তলব করল কমিশন।
আরও পড়ুন - সন্দীপের দশা হল অরুণাভর, কাজে যোগদান করতে গিয়ে পড়লেন ত✱ুমুল বিক্ষোভের মুখে
পড়তে থাকুন - আর๊জি করের প্রতিবাদ♎, পুজো কমিটির পর এবার রাজ্য সরকারের অনুদান ফেরাল নাটকের দল
বৃহস্পতিবার দিল্লিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনের সঙ্গে দেখা করে ২৭ অগাস্ট ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে পুলিশি বর্বরতার অভিযোগ তোলেন সৌমিত্র খাঁ। চিঠি দিয়ে তিনি জানান, ওই দিন নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ ছাত্র – ছাত্রীদের ওপর বর্বর হামলা করেছে পুলিশ। তাদের ওপর লাঠি চালানো হয়েছে। ছোড়া হ𒐪য়েছে কাঁদানে গ্যাসের সেল। ব্যবহার করা হয় জলকামান। প্রায় ২০০ জন ছাত্রছাত্রীকে বিনা কারণে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েচে।
শুধু তাই নয়, সৌমিত্র খাঁর দাবি, পুলিশি বর্বরতার প্রতিবাদে ২৮ ফ✱েব্রুয়ারি বিজেপি বাংলা বনধের ডাক দিয়েছিল। বনধের দিন শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত বিজেপি কর্মীদের মারধর করেছে পুলিশ। তাদের অকারণে গ্রেফতার করা হয়েছে। গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে বহু বিজেপি নেতাকে।
সূত্রের খবর, সৌমিত্র খাঁয়ের চিঠি পাওয়ার পর কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে তার জবাব তলব করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ২ সপ্তাহের মধ্যে বিনীত গোয়েলক꧃ে তার জবাব দিতে বলা হয়েছে। কেন বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করতে হল তার জবাব দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।
আরও পড়ুন - ‘বাংল🦹াদেশের পুলিশের থেকেও খারাপ অবস্থা হবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের’
গত ২৭ অগাস্ট ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে বেনজির নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে🎃 হাওড়া ও কলকাতা পুলিশ। মাটিতে লোহার রড গেঁথে ঢালাই করে তৈরি করা হয় ব্যারিকেড। ব্যারিকেড হিসাবে রাজ্যে প্রথম𒐪বার ব্যবহার করা হয় শিপিং কন্টেনার।