রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের হাসপাতালে রোগীর পরিবার-পরিজনদের তা🔥ণ্ডব চালানোর ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই শোনা যায় যে রোগীমৃত্যুর পরে হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন পরিজনরা। চিকিৎসক, নার্স-সহ স্বাস্থ্যকর্মীদের শারীরিক নিগ্রহ করারও অভিযোগ ওঠে। আর সেই আবহে কি ঘুরিয়ে চিকিৎসকদের কাঁধেই বন্দুক রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের সিনিয়র ও জুনিয়র চিকিৎসক এবং মেডিক্যাল পড়ুয়াদের নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভা থেকে করা মন্তব্যের জেরে।
'আপনাদের একটু ভালোবাসার ছোঁয়া পেলে…', বার্তা মমতার
ওই সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্🙈যের💯 আরও এক নাম সেবা। কারণ মানুষ যখন বিপদে পড়েন, তখন আপনাদের কাছেই ছুটে যান। আর্তনাদ করেন। পরিবার-পরিজন অপেক্ষা করেন। আপনাদের একটু ভালোবাসার ছোঁয়া পেলে তাঁরা নিজেদের অনেকটা ধন্য বলে মনে করেন। হয়তো সব কেস বাঁচানো সম্ভব নয়।'
চিকিৎসকদের আশীর্বাদ দেন রোগীরা, বললেন মমতা!
সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'কিন্তু তাঁরা যদি ভালো ব্যবহার পান, ভালো চিকিৎসা পান, অন্তত দেখেন যে চিকিৎসকরা চেষ্টা করেছেন, তাতে তাঁরা অনেকটা খুশি হয়ে যান। আর একজন চিকিৎসক যখন একজন রোগীকে চিকিৎসা করে ভালো করে দেন💎, তিনি যখন বাড়ি ফিরে যান, তখন তিনি খুব গর্ববোধ করেন। আর তাঁর পরিবার তাঁকে (চিকিৎসক) অনেক আশীর্বাদ দেয়🍰। সমাজও দেয়।’
আরও পড়ুন: 'জ্যামে দাঁড়াতে পছন্দ করি, আমি কোন হরিদাস যে....', কেন 'ফেড-আপ' হল💙েন মমতা?
আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে ‘বোন’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী
আর সোমবার সেইসব মন্তব্যের আগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্😼যমন্ত্রী। তরুণী চিকিৎসককে 'বোন' হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার যে বোনটি মারা গিয়েছে, তার শোকস্তব্ধ পরিবারকে আমার সমবেদনা জানাই। আমরা নিশ্চয়ই উপযুক্ত শাস্তির দাবি করি। 🥃আপনারা জানেন, আমি নিজেও রাস্তায় হেঁটেছি এর জন্য। আপনারাই পারেন। আজকাল তো ছেলেমেয়েদের মধ্যে কোনও প্রভেদ নেই। ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে এত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক….একসঙ্গে থাকেন, একসঙ্গে খান, একসঙ্গে প্র্যাকটিস করেন।'
আরও পড়ুন: '🐼আমার ক😼থা শুনে চোখ খুললেন…', প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাসপাতালে শেষ দেখা প্রসঙ্গে কী জানালেন মমতা
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'আগের যুগে এসব ভাবা যেত না। আজকের যুগে এটা একটা প্লাস-পয়েন্ট আছে। সবাই একে অপরের ব্যথা-বেদনাটা গভীরভাবে উপলব্ধি করেন। সরকার সরকারি ব্যবস্থা হিসেবে সবটাই করবে। কিন্তু আমি মনে করি, আপনারা যারা তৃণমূল স্তরে আছেন, যাঁরা বিভিꦜন্ন প্রতিষ্ঠানে আছেন, তাঁরা ভালোভাবে করতে পারেন। এটা আপনাদের মুকুটে আরও একটা পালক জুড়বে, যদি ভাইয়েরা বোনেদের বিপদে এগিয়ে আছে এবং বোনেরাও যদি ভাইয়🐼ের রক্ষা করেন।’