ট্যাংরা কাণ্ডে দে পরিবারের যে তিনজন সদস্য এখনও পর্যন্ত জীবিত রয়েছেন বা রয়েছে, তাঁদের কারও মধ্যেই বেঁচে থাকার আগ্রহ আর অবশিষ্ট নেই। এমনকী, বাড়ির নাবালক সদস্যটির মধ্যেও নাকি সেই একই প্রব๊ণতা দেখা গিয়েছে! এমনটাই দাবি করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
বুধবার ভোর রাতের 'গাড়ি দুর্ঘটনা'র পর প্রণয় দে, প্রসূন দে ও প্রতীপ দে (নাবালক)-কে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তিনজনের চিকিৎসা চলাকালীন নিয়ম অনুসারে, তিনজনেরই 'সাইকোঅ্যানালিসিস' করানো 🔜হয়। আর, সেই পরীক্ষাতেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
'টাইমস অফ ইন্ডিয়া'-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, 'সাইকোঅ্যানালিসিস' টেস্ট-এর রিপোর্ট বলছে, দে পরিবারের জীবিত তিন সদস্যের মধ্যে একজনের মধ্যেও আর বাঁচার ইচ্ছা অবশিষ্ট নেই। বস্তুত, তাঁরা যেকোনও সময় ফের আত্মহত্যা করার চেষ্টা করতে পারেন বলেও দাবি করেছেন ওই বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। যতক্ষণ না𓆉 তাঁদের চিকিৎসা করে সারিয়ে তোলা হবে, ততক্ষণ এই তিনজনের মধ্যেই আত্মহত্যা করার প্রবণতা বজায় থাকবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
সং♕শ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ হল - এই তিনজনই আপাতত প্রবলভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বুধবার ভোররাতে𒊎র দুর্ঘটনা থেকে শারীরিকভাবে তাঁরা সকলেই রক্ষা পেয়েছেন। কিন্তু, আপাতত তাঁদের তিনজনেরই মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা শোচনীয়।
হাসপাতালের একটি সূত্র উদ্ধৃত করে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, 'বিশেষজ্ঞরা তিনজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন। এবং তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত হল - এই তিনজনই নিজের জীবন শেষ করে দিতে চান বা চায়। সেই কারণ💯েই আমরা এমন ব্যবস্থা করেছিলাম, যাতে এই তিনজনের মধ্যে একজনও ফের আত্মহত্যার চেষ্টা করতে না পারেন।'
চিক♑িৎসকরা লক্ষ করেছেন, এই তিনজনই সারাক্ষণ অস্বাভাবিক রকমের শান্ত থেকেছেন আগাগোড়া। সবসময় তাঁরা তাঁদের চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। কেবলমাত্র পুলিশ যখন তাঁদের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও প্রশ্ন করেছেন, তখনই তাঁরা সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
এক বিশেষজ্ঞকে উদ্ধৃত করে ওই একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, 'এই ধরনের নিবিড় শান্তি আদতে পরবর্তী আরও একটি ঝড়ের পূর্বাভাস হতে পারে। ও♛ঁরা একটি একেবারে আ🦹বেগহীন স্তরে পৌঁছে গিয়েছেন। যাঁরা একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেও বেঁচে যান, অনেক সময়েই তাঁরা ফের আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।'
অন্যদিকে, দে বাড়ির বড় কর্তা প্রণয় দে-কে কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করার পর সেখানকার অধ্যক্ষ পীতবরণ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, প্রণয়কে যেমন তাঁর প্রয়োজন মতো শারীরিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ🌱্ছে, তেমনই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যে🦩রও খেয়াল রাখছেন।