বাম জমানায় চাকরির পরীক্ষায় উত্তীণ কাউকে🐻 নিয়োগ দেবে না বলে যেন কসম খেয়ে রেখেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এমন অভিযোগ, বাম ও বিজেপির। এবার সেই নিয়োগ রুখতে আদালতে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠল রাজ্য সরকার পরিচালিত ২ সংস্থার বিরুদ্ধে। ২০০৯ সালে মালদা জেলায় প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে আদালতে ২ রকম রিপোর্ট দিলেন সরকারের ২ আধিকারিক। তাতেই যার পর নাই ক্ষুব্ধ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। ২ আধিকারিককেই তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন তিনি।
বাম জমানায় ২০০৯ সালে মালদা জেলায় প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেনিয়ম হয়েছে বলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলা হাইকোর্ট থেকে পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। গত বছর আবার মামলাটি হাইকোর্টে ফিরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর পর যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। অভিযোগ, তার পর🌳 আদালতের দেওয়া সময়সীমা পেরোলেও নিয়োগপত্র পাননি কেউ। এর পর মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান বাসন্তী বর্মন ও স্কুল শিক্ষা দফতরের চেয়ারম্যানকে শুক্রবার আদালতে ডেকে পাঠিয়েছিলেনে বিচারপতি। আদালতে ২ সরকারি আধিকারিক যে হলফনামা পেশ করেছেন তা সম্পূর্ণ পরস্পরবিরোধী।
এদিন জমা দেওয়া হলফনামায় স্কুল শিক্ষা দফতরের কমিশনার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ মেনে ৩১২ জনের নামে প্যানেল প্রকাশি♕ত হয়েছে। দ্রুত তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। ওদিকে বাসন্তীদেবী তাঁর হলফনামায় জানিয়েছেন ২৪৫ জনের প্যানেল প্রকাশিত হয়েছে। তাদ𒀰ের কেউ পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেখাতে পারেননি।
২ সরকারি আধিকারিকের আলাদা হলফনামায় ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি মান্থা। ২ জনকেই তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন তিনি। তিনি𒉰 বলেন, এনাফ ইজ এনাফ।