এমনটা নয় যে নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে কোনও টেল এন্ডার ক্রিজে 💝ছিܫলেন। বরং দলের সেরা তারকা তথা ক্যাপ্টেন নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে দাঁড়িয়েছিলেন ব্যক্তিগত ৯৭ রানে। শেষ ওভারে একটি বলের মোকাবিলা করতে পারলেই ব্যক্তিগত শতরানে পৌঁছনোর চেষ্টা করতে পারতেন শ্রেয়স।
তবে দলনায়ককে সেই সুযোগ দেননি শশাঙ্ক সিং। ইনিংসের শেষ ওভারে মহম্মদ সিরাজ বল করতে এলে ওভারের ৬টি বলেরই মোকাবিলা করেন শশাঙ্ক। যদিও তিনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বল নষ্ট করেছেন, এমন অভিযোগ করা যাবে না মোটেও। কেননা শেষ ওভারে ৫টি চার মারার পাশাপাশি ১টি ২ রান নেন শশাঙ্ক। একটি ওয়াইড বল মিলিয়ে ইনিংসের শেষ ওভারে ম💞োট ২৩ রান সংগ্রহ করে পঞ্জাব কিংস।
শেষ ওভারে একটিও বল খেলার সুযোগ না মেলায় শ্রেয়সকে দাঁড়িয়ে যেতে হয় ব্যক্তিগত শতরানের দোরগোড়ায়। পঞ্জাব দলনায়ক ৪২ বলে ৯৭ রানে নট-আউট থাকেন। অধিনায়কোচিত ইনিংসে শ্রেয়স মোট ৫টি চার ও ৯টি ছক্কা মারেন। অন্যদিকে শশাঙ্ক সিং ♌অপরাজিত থাকেন ব্যক্তিগত ৪৪ রানে। ১৬ বলের ধুমধাড়াক্কা ইনিংসে তিনি ৬টি চার ও ২টি ছক্কা 🎀মারেন। ক্যাপ্টেন শতরান হাতছাড়া করলেও মঙ্গলবার গুজরাট টাইটানসের বিরুদ্ধে ম্যাচে পঞ্জাব ৫ উইকেটে ২৪৩ রানের বড়সড় ইনিংস গড়তে সক্ষম হয়।
প্রথমত, ৯৭ রানে দাঁড়িয়ে থাকা ক্যাপ্টেনকে যে কোনও ক্রিকেটারই স্ট্রাইক দিতে চাইবেন, যাতে তিনি শতরানে পৌঁছনোর সুযোগ পান। শশাঙ্ক সেই পথে না হাঁটায় পঞ্জাব যে কত বড় লাভ পায়, সেটা বোঝা যায় ম্যাচের শেষে। কেননা পঞ্জাবের বিশাল রান তাড়া করতে নেমে গুজরাট টাইটানসও লক্ষ্যের খুব কাছে পৌঁছে যায়। শেষমেশ ১১ রানের সংক্ষিপ্ত ব্যবধানে ম্যাচ জেতে পঞ্জাব। অর্থাৎ, শ্রেয়সের সেঞ্চুরি চেষ্টায় পঞ্জাব যদি শেষ ওভারে কয়েকটি বল নষ্ট করত, যেটা অত্যন্ত স্বাভাবিকও, তাহলে পঞ্জাব শেষমেশ ম্যাচ হার🥂তেও পারত।
কেন শ্রেয়সকে শতরান পূর্ণ করার সুযোগ দেননি শশাঙ্ক?
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শশাঙ্🍸ক সিং এক্ষেত্রে ক্যাপ্টেনকে শতরানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছেন বলা ভুল হবে। বরং বলা ভালো যে, ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আইয়ার এক্ষেত্রে ব্যক্তিস্বার্থের থেকেও দলকে এগিয়ে রাখেন। শ্রেয়সই এক্ষেত্রেꦡ স্বার্থত্যাগ করেছেন। কেননা শেষ ওভারের আগে আইয়ার শশাঙ্ককে বলেন, তাঁর সেঞ্চুরির কথা না ভেবে ব্যাট চালিয়ে যেতে। যে নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন শশাঙ্ক।
ম্যাচের শেষে শশাঙ্ক এই বিষয়টি খোলসা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি (সিঙ্গল নিয়ে) শ্রেয়সকে স্ট্রাইক দেব কিনা জিজ্ঞাসা করতে গিয়েছিলাম। উল্টে ও আমাকে বলে যে, শশাঙ্ক, আমারা সেঞ্চুরি নিয়ে ভাবার দরকারꦉ নেই। সব বলে মারো।’
শশাঙ্ক আরও বলেন, ‘জানি এটা দলগত খেলা। তবে ওরকম মুহূর্তে (৯৭ রানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়) নিঃস্বার্থ হওয়া মুশকিল। তার জন্য সাহস দরকার হয়। কেননা আইপিএলে ১০০ করা𒐪 মোট🐼েও সহজ নয়।’