একেই আইএসএলে হতাশ করেছে ইস্টবেঙ্গল, তার উপর আবার সুপার কাপ শুরু হওয়ার ঠিক আগেই লাল✨-হলুদ শিবির জুড়ে অশান্তির কালো মেঘ। মোহনবাগানের যখন দ্বিমুকুট জয়ের সেলিব্রেশন চলছে, এই কাটফাটা গরমেও কুলকুল করে বইছে বসন্তের বাতাস, তখন প্রতিবেশী ক্লাবে গুমোট হাওয়া। ভ্যাপসা পরিবেশ।
সুপার কাপ শুরু হওয়ার ঠিক আগেই তাল কেটেছে লাল-হলুদের।▨ রবিবার ইস্টবেঙ্গল একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল, আর সেখানেই কোচ অস্কার ব্রুজোর সঙ্গে ঝামেলার বাধে ক্লেটন সিলভার। এই ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই, ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ ছেড়ে সোজা ফিরে যান হোটেলে। জানা গিয়েছে, যে জটিল পরিস্থিতি ♕তৈরি হয়েছে, তাতে সুপার কাপে তাঁর খেলা নিয়েই তৈরি হয়েছে সংশয়।
নিউটাউনে ফেডারেশনের উৎকর্ষ কেন্দ্রে চেন্নাইয়িন এফসি-র সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল ইস্💧টবেঙ্গল। আনোয়ার আলির গোলে ম্যাচটি ১-০ জিতেওছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। জানা গিয়েছে, ক্লেটনকে নাকি নিজের পছন্দের জায়গায় খেলাননি অস্কার। বরং তাঁকে সরিয়ে অন্য জায়গায় খেলাচ🌳্ছিলেন অস্কার। সেটা হজম হয়নি তারকা ফুটবলারের। তার উপর আবার শুরু থেকেই ক্লেটনকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন বিপক্ষকে চাপ দেওয়ার।
তবে ক্লেটন সোজা কোচের মুখের উপর বলে দেন, তিনি নিজের মতোই খেলবেন। স্বাভাবিক ভাবেই কোচ এতে মারাত্মক চটে যান। অস্কার কিছুটা রেগে গিয়েই, ক্লেটনকে নিজের জায়গায় খেলতে ফের 📖খেলতে বলেন। এর পরেই ক্লেটন মাঠ থেকে বেরিয়ে এসে, কোচের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেয়। কোচের সঙ্গে ঝামেলা করার পর আরꦏ ক্লেটন মাঠে তাকেননি। সোজা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে তিনি সাজঘরে গিয়ে পোশাক বদলে হোটেলে ফিরে যান। ক্লেটনের এমন আচরণে সকলেই বেশ অবাক হয়েছেন।
তবে কোচের সঙ্গে ক্লেটনের ঝামেলা নতুন নয়। 🃏অনেক দিন ধরেই দু'জনের মধ্যে ‘ঠান্ডা যুদ্ধ’ চলছিল। সেটাই এবার প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। শুরু থেকেই ক্লেটনকে পছন্দ করেন না অস্কার ব্রুজো। সেটা তিনি নানা ভাবে বুঝিয়েও দিয়েছেন। তবে বিকল্প না থাকায়, বাধ্য হ🧸য়েই ক্লেটনকে টানা খেলাতে হয়েছে তাঁকে। তবে ক্লেনটকে যে আর পরের মরশুমে তিনি কোচ থাকলে, দলে রাখবেন না, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এই ঝামেলা প্রকাশ্যে আসার পর লাল-হলুদে ক্লেটনের বিদায় কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেল।
এদিকে শোনা যাচ্ছে, ক্লাবের সঙ্গেও ঝামেলা লাগতে পারে অস্কারের। কারণ কোচের পছন্দের থাংবোই সিংটোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভালো ফুটꦛবলারের সন্ধান করার। পাশাপাশি ক্লাবের পছন্দের মুখ্য টেকনিক🔴্যাল অফিসারের ক্ষমতা কমেছে। গত মরশুমে এই টেকনিক্যাল অফিসারই ফুটবলার নিয়োগের দায়িত্বে ছিলেন। সব মিলিয়েই অস্কার-ক্লাব যুদ্ধ লাগল বলে!