একরাশ স্বপ্ন দেখিয়ে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের (বিজিবিএস) প্রথম দিনে ইতি পড়ল। প্রথম দিনে ১২ লাখ কোটি টাকার লগ্নির প্রস্তাব এসেছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় অঙ্কের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি, জেএসডব্লিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দল, অম্বুজা নেওয়াটিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান হর্ষ নেওয়াটিয়া, আইটিসি লিমিটেডের চেয়ারম্যান সঞ্জীব পুরী, আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কার মতো শিল্পপতিরা। কোন শিলꦑ্পপতি বাংলায় কী কী লগ্নির প্রতিশ্রুতি দিলেন, তা দেখে নিন।
আইটিসি গ্লোবাল হাবের উদ্বোধন রাজারহাটে
আইটিসি লিমিটেডের চেয়ারম্যান সঞ্জীব পুরী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে ১৮টি কারখানা আছে। আপাতত ছ'টি হোটেল আছে বাংলায়। আগামী কয়েক বছরে সেটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বড় বিনিয়োগ করা হয়েছে (আজই রাজারহাটে আইটিসি গ্রিন সেন্টার ক্যাম্পাসে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স গ্লোবাল হাবের উদ্বোধন)। সবমিলিয়ে সম্প্রতি বিনিয়োগ করা হয়েছে ৭,৫০০ কোটি টাকা। কৃষিখাতে জড়িত আছে আইটিসি। নিম নিয়েও কাজ🃏 করা হচ্ছে।
'১০,০০০ কোটি টাকার কাজ চলছে বাংলায়', দাবি গোয়েঙ্কার
আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপের (আরপিএসজি) চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা আশ্বাস দিয়েছেন, ৪০,০০০ কোটি বিনিয়োগ𓃲 করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তার মধ্যে ২০,০০০ কোটি টাকার লগ্নি করা হয়েছে শেষ কয়েক বছরে। আরও ১০,০০০ কোটি টাকার কাজ চলছে। শক্তি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং𝓀 শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হয়েছে।
৫ বছরে ১৫,০০০ কোটি টাকা লগ্নির প্রতিশ্রুতি অম্বুজা নেওয়াটিয়ার
১) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে সাতটি ♈লাক্💃সারি হোটেল গড়ে তোলা হবে।
২) পাঁচটি হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে।
৩) ২৪০ একর জ༒মিতে গলফ থিমের টাউনশিপ গড়ে ꦛতোলা হচ্ছে।
৪) চার-পাঁচ বছরে ন'টি আবাসন এবং বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স গড়ে তুলবে অমꦆ্বুজা নেওয়াটিয়া গ্রুপ।
রাজ্য চাইলে ৩২,০০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়তে তৈরি জেএসডব্লিউ
১) শালবনিতে ১,৬০০ মেগাওয়াটের (দুটি ৮০০ মেগাওয়াটের) বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করবে জেএসডব্লিউ গ্রুপ।꧟ প্রাথমিকভাবে ১৬,০ꦕ০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে। সরকার চাইলে সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়িয়ে ফেলার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লগ্নিও দ্বিগুণ করা হবে।
২) ২,০০০ একর জমিতে শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে।
৩)🍌ꦯ অন্ডাল বিমানবন্দরের উন্নয়নের জন্য কাজের ক্ষেত্রেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
১ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের স্বপ্ন দেখালেন আম্বানি
১) রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যাꦡন মুকেশ আম্বানি বলেন, ‘২০১৬ সালে যখন আমি প্রথম এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম, তখন রিলায়েন্সের বিনিয়🌸োগের অঙ্কটা ২০০ কোটি টাকার কম ছিল। এক দশকেরও কম সময় আজ বাংলায় আমাদের বিনিয়োগের অঙ্কটা ২০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা বাংলায় ৫০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি। মমতা দিদি, এই দশক শেষ হওয়ার মধ্যে আমরা সেই বিনিয়োগের অঙ্কটা দ্বিগুণ (এক লাখ কোটি টাকা) করব।’
২) ২০২৬ সালের গোড়ার দিকেই দিঘায় রিলায়েন্স জিয়োর কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের কাজ🐲 শেষ হয়ে যাবে। তার ফলে পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকবে।
৩) নিউ টা🎶উনে রিলায়েন্স জিয়োর এআই রেডি ডেটাജ সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। আগামী নয় মাসের মধ্যে সেটার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। নয়া কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত হবে। বাংলার মেধাবীদের নিজেদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
৪) আগামী তিন বছরে পশ্চিমবঙ্গে ৪০০টি স্টোর খুলবে রিলায়েন্স। বাংলার শিল্পকলাকে 'স্✱বদেশ' স্টোরের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। বাংলার বিভিন্ন শিল্পকলা পৌঁছে যাবে বিদেশে (যেমন - জামদানি)।
৫) চলতি বছরের শেষের মধ্যে 'গ্রিন এনার্জি' (অচিরাচরিত শক্তি) কর্মসূচির আওতায় চলে আসবে পশ্চ𝔍িমবঙ্গ। স্লোগান হবে - 'সোলার বাংলা, সোনার বাংলা'।