মেয়েকে অবৈধভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৩ বার সিবিআই জেরার মুখোমুখি হয়েছেন পরেশচন্দ্র অধিকারী। তার পর বুধবার প্রথম মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। বললেন, ওটা আদালতে বিচার্য ব্যাপার।অবৈধভাবে শিক্ষকের চাকরি দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পরেশবাবুর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেই মতো শুরু হয়েছে প্রক্রিয়া। অভিযোগ, পরেশবাবুর তৃণমূলে যোগদানের বিনিময়ে মেয়ের চাকরিসহ একাধিক রফা হয়েছিল। শুধু চাকরি থেকে বরখাস্ত করাই নয় ২০১৮ সাল থেকে শেষ দিন পর্যন্ত যে বেতন তিনি নিয়েছিলেন তাও ফেরত দিতে বলেছে আদালত। গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী পরেশ অধিকারীকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন তিনি।আদালতের নির্দেশের পর সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন মন্ত্রীমশাই। মোট তিন দফায় তাঁকে জেরা করেন গোয়েন্দারা। এর পর কোচবিহারে নিজের বাড়িতে ফিরে যান পরেশবাবু। তবে আদালতের রায় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এতদিন মুখ খোলেননি তিনি বা তাঁর কন্যা।বুধবার কোচবিহারে দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন পরেশবাবু। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, মেয়ের চাকরির বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। এব্যাপারে দরকারে আইনি পরামর্শ নেব। তবে পরেশবাবুর দাবি, তাঁর পরিবারের ৩২ জনের চাকরি করে দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রত্যেকেই চাকরি পেয়েছেন নিজের যোগ্যতায়।