ꩵ সিঙাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত চাটনি দিতে অস্বীকার করায় দোকানের কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠল জেলফেরত এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনায় বীরভূমের দুবরাজপুরের শ্মশানকালী মন্দির লাগোয়া এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযুক্ত কাউন্সিলর নাজিরউদ্দিনের গ্রেফতারির দাবিতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল।
ဣজানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শ্মশানকালী মন্দিরের পাশে কেশব দাসের দোকানে সিঙাড়া কিনতে যান ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাজিরউদ্দিন। ৩টি সিঙাড়া কেনেন তিনি। সিঙাড়ার সঙ্গে বিনামূল্যে চাটনি দেন বিক্রেতা। কিন্তু বাড়তি চাটনির দাবি করেন ওই তৃণমূল নেতা। কিন্তু বাড়তি চাটনি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান বিক্রেতা। অভিযোগ, তখন বিক্রেতাকে সপাটে চড় মারেন ওই নাজিরউদ্দিন। চড়ের আঘাতে পড়ে যান তিনি।
♉এর পর কেন তিনি চড় মারলে পালটা নাজিরউদ্দিন বলেন, আমি কে তুই চিনিস? বিক্রেতা তাঁকে চেনেন না বলে জানালে ফের তাঁকে হেনস্থা করেন নাজিরউদ্দিন। এর পরই দোকানের মালিক কেশব দাস-সহ স্থানীয়রা প্রতিবাদে মুখর হন। পথ অবরোধ করে নাজিরউদ্দিনকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে আটক করে নিয়ে যায় তারা। এর পর রাতে থানায় সালিশি সভা বসে। সেই সভায় ক্ষমা চান নাজিরউদ্দিন। এর পর পুলিশ তাঁকে মুক্তি দেয়।
ꩵএই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি অনুপ সাহা বলেন, ‘এই তৃণমূল নেতা আগেও এই ধরণের কাজ করেছেন। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। তাই ওর সাহস এত বেড়েছে। এরাজ্যে তৃণমূল করলে সাত খুন মাফ। তৃণমূল নেতারা রাজ্যটাকে নিজেদের জায়গির ভাবতে শুরু করেছেন। আর তিনি যদি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষ হন তাহলে তো কথাই নেই।’
ꦆএই ঘটনার নিন্দা করেছেন জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘এগুলো মানসিকতার ওপর নির্ভর করে। আমরা দলের তরফে ওকে বোঝাবো।’
🐎বলে রাখি, এবারই প্রথম নয়, এর আগে দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নার্সকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল এই নাজিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে পুলিশকেও মারধর করেন তিনি। এর ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে মুক্তি পান।