♑ মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক - টুকলি-সহ যেকোনও ধরনের অনিয়ম রুখতে কঠোর পদক্ষেপ করল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) এই ইস্যুতে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।
🅺সেই নির্দেশিকায় অত্যন্ত কঠোর এবং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতর মোবাইল, স্মার্ট ফোন বা অন্য কোনও ধরনের অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক গ্যাজেট বা সামগ্রী নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। এই নির্দেশ যদি কোনও পরীক্ষার্থী লঙ্ঘন করে, তাহলে এবছরের মতো তার আর পরীক্ষা দেওয়া হবে না। তাকে আবার আগামী বছর পরীক্ষায় বসতে হবে।
🦂এদিন এই প্রসঙ্গে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, তাঁরা উচ্চমাধ্যমিকের সময় পরীক্ষার হলে মোবাইল-সহ সমস্ত ধরনের অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহার, এমনকী তা সঙ্গে রাখার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করছেন।
𝓰কোনও পরীক্ষার্থী এই নির্দেশ অমান্য করলে, কারও কাছ থেকে মোবাইল, স্মার্ট ফোন বা অন্য কোনও অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক গ্যাজেট উদ্ধার করা হলে তার সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এমনকী, সেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ডও বাতিল করা হবে। ফলে, কোনওভাবেই আর এবছর পরীক্ষায় বসতে পারবে না সে। আগামী বছর তাকে নতুন করে পরীক্ষায় বসার জন্য আবেদন করতে হবে।
ඣউচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এবছর পরীক্ষার দিনগুলিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকেই মেটাল ডিটেক্টরের তল্লাশি ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যে পরীক্ষাগুলিতে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা আবশ্যিক, সেই পরীক্ষাগুলির ক্ষেত্রে কেবলমাত্র সংসদের স্থির করে দেওয়া ক্যালকুলেটরই ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনও ক্যালকুলেটর নিয়ে ভিতরে ঢোকা যাবে না। তাহলেও সেই ছাত্র বা ছাত্রীর পরীক্ষা বাতিল করা হবে।
♎তবে, শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীরাই নয়। উচ্চমাধ্যমিক চলাকালীন পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে যেসমস্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের ডিউটি পড়বে, তাঁদের জন্যও বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে সংসদ কর্তৃপক্ষ। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, কর্তব্যরত এই শিক্ষক শিক্ষিকারাও পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতর মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। তাঁদের মধ্যে কেউ যদি মোবাইল বা স্মার্ট ফোন নিয়ে আসেন, তাহলে তা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভেন্যু সুপারভাইজারের কাছে জমা রাখতে হবে।
ಌপ্রসঙ্গত, এবছরের মাধ্যমিকেও একই ধরনের কড়াকড়ি নিয়ম জারি করা হয়েছে। তারপরও কিছু পরীক্ষার্থী সেই নিয়ম ভঙ্গ করার চেষ্টা করেছে। যার জেরে তাদের কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। তাদের পরীক্ষা বাতিল করেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।