Sunil Gavaskar on Shreyas Iyer and KKR: অনবদ্য অর্ধশতকের ইনিংস খেলে সকলের মন জয় করলেন শ্রেয়স আইয়ার। মঙ্গলবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত আট উইকেটের জয় পেয়েছে পঞ্জাব কিংস। পিবিকেএস অধিনায়ক, ৩০ বলে অপরাজিত ৫২ রান করেছিলেন। এই সময়ে তিনি তিনটি চার ও চারটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন এবং পুরো ইনিংস জুড়ে আক্রমণাত্মক মেজাজ খেলেছিলেন। ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নে💮মে, শ্রেয়স দায়িত্ব নেওয়ার পরেই জয়ের পথ সুগম হয়ে যায়, বিশেষ করে প্রভসিমরান সিংহের বিধ্বংসী ৬৯ রানের ইনꦍিংসের পর।
শ্রেয়সের প্রশংসায় গাভাসকর
পঞ্জাব কিংস মাত্র ১৬.২ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয়, ব্যাট ও বল উভয় ক্ষেত্রেই দাপট দেখিয়েছে শ্রেয়স আইয়ারের টিম। তবে এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি, ধারাভাষ্যের ঘর থেকে উঠে আসে এক গুরুত্বপূর্ণ ম𒊎ন্তব্য। শ্রেয়স আইয়ারকে নিয়ে কথা বলেন কিংবদন্তি ভারতীয় ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর। শ্রেয়াস আইয়ারের যাত্রা নিয়ে কথা বলেন তিনি। এবং ২০২৪ আইপিএল মরশুম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্তব্য করেন সুনীল গাভাসকর।
আমি মনে করি, শ্রেয়স যে কৃতিত্বের দাবিদার, তা সে পায়নি- গাভাসকর
শ্রেয়সের ব্যাটিং প্রশংসা করতে গিয়ে গাভাসকর বলেন, ২০২৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে চ্যাম্পিয়ন করার পরেও সে যথাযথ স্বীকৃতি 𒆙পায়নি। সুনীল গাভাসকর বলেন, ‘শ্রেয়স কেকেআরের অধিনায়ক ছিল, যারা ২০২৪ সালে আইপিএল জিতেছিল, এবং আমি ꦺমনে করি, সে যে কৃতিত্বের দাবিদার, তা সে পায়নি। তার অধিনায়কত্বের রেকর্ড বেশ ভালো।’
আরও পড়ুন … 🔜IPL 2025: একটা কিট নিয়ে এসেছিলাম, ভাবতেই পারিনি PBKS-এর হয়ে অভিষেক করব: নেহাল ও𝄹য়াধেরার অবিশ্বাস্য কাহিনি
KKR প্রথম থেকেই শ্রেয়সের জন্য নিলামে লড়াই করেনি
শ্রেয়স আইয়ার আইপিএল, ঘরোয়া ক্রিকেট এবং ভারতের ওডিআই দলে দুর্দান্ত পারফরম্ꦰযান্স করেছেন, যেখা🍌নে গত মাসে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৪ আইপিএল-জয়ী অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও কেকেআর তাঁকে ছেড়ে দেয় এবং নিলামে ১০ কোটি টাকায় দর ওঠার পরও বিড করা থেকে সরে আসে। শেষ পর্যন্ত, পঞ্জাব কিংস তাঁকে ২৬.৭৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিজেদের দলে কেনে।
আরও পড়ুন … NZ vs PAK ODI 2nꦕd: কাজে এল না ফাহিম আশরাফের লড়াই, ৮৪ রানে ম্যাচে জিতে সিরিজ দখল করল নিউজিল্যান্ড
পঞ্জাব কিংসের দাপুটে জয়
প♌িবিকেএস পুরো ম্যাচ জুড়ে এলএসজিকে চাপে রাখে। এলএসজির ব্যাটিং ও দলের অধিনায়ক ঋষভ পন্তের ফর্ম দুটোই বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই লখনউয়ের স্কোর ৩৯/৩ হয়ে যায়। ফলে তারা প্রথম থেকেই ব্যাকফুটে ছিল। পঞ্জাবের বোলাররা, আর্শদীপ সিং (৩/৪৩), লকি ফার্গুসন (১/২৬) ও মার্কো জনসেন (১/২৮)—পরিস্থিতির পুরোপুরি ফায়দা তুলে নেন।
খারাপ শট নির্বাচন ও দায়িত্বহীন ব্যাটিং এলএসজির টপ অর্ডারের পতন ত্বরান্বিত করে। যা পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের জন্য চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। নিকোলাস পুরান (৪৪ বলে ৩০) এবং আয়ুষ বাদোনি (৪১ বলে ৩৩) কিছ🦩ুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন, ত✅বে পঞ্জাবের বোলাররা নিশ্চিত করেন যে, তাদের সেই প্রচেষ্টা খুব বেশি কাজে না লাগে।