সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) সকলেরই নজর ছিল ক♏লকাতার আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহের দিকে। কারণ, এদিন এখানেই রাজ্যের চিকিৎসকদের সঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেন মুখ♊্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের আশা ছিল, আরজি কর কাণ্ডের পরবর্তী সময়ে হয়তো সেই আন্দোলনের রেশ ধরেই সরকারি চিকিৎসকদের, বিশেষ করে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের পরিকাঠামো ও পরিষেবাগত দাবিদাওয়াগুলি নিয়ে এদিনের এই মঞ্চে কথা হবে। কিন্তু, তেমন কিছু না হওয়ায় হতাশ আরজি কর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত জুনিয়র চিকিৎসকরা।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁদের যে বক্তব্যগুলি সামনে এসেছে, তা থেকে একটা বি💯ষয় স্পষ্ট - এদিনের সম্মেলন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জুনিয়র ডাক্তারদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করলেও তাতে সন্তুষ্ট নন জুনিয়র চিকিৎসকরাই।
এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য মূলত দু'টি - প্রথমত, বছরের পর বছর ধরে তাঁদের মাইনে বাড়েনি। তাই সেটা আগেই বাড়া উচিত ছিল। তাছাড়া, তাঁরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করেননি। দ্বিতীয়ত - জুনিয়র ডাক্তাররাই বলছেন, ভারতের অধিকাংশ রাজ্যেই সরকারিস্তরে চিকিৎসকরা বাংলার তুলনায় অনে🔥ক বেশি বেতন পান। তাই মুখ্যমন্ত্রীর বেতন বৃদ্ধির ঘোষণায় তাঁরা অন্তত আপ্লুত নন।
উলটে মমতার এই ঘোষণায় জনমানসে ভুল বার্তা যেতে পারে বলে মনে করছেন জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, হাসপাতালে যথেষ্ট সংখ♑্যায় চিকিৎসক নেই। একের পর 💞এক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গড়া হচ্ছে, অথচ তার পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে না। চিকিৎসকদের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মীরও ঘাটতি রয়েছে। নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। আধুনিক যন্ত্রপাতি হয় নেই, অথবা সেগুলি অকেজো। এছাড়াও, হাসপাতালে এক বিশেষ শ্রেণির দাদাগিরি চলে বলেও নানা মহলের অভিযোগ।
জুনিয়র চিকিৎসকদের ♔বক্তব্য হল, এই সমস্ত সমস্যার ℱসমাধানের দাবিতেই তাঁরা আরজি কর কাণ্ডের পর লাগাতার আন্দোলন করে গিয়েছেন। কিন্তু, সম্মেলনে এগুলো নিয়ে কথা হল না। অথচ, চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হল। যা আদতে চিকিৎসকদের প্রাপ্যই ছিল।
জুনিয়র ডাক্তাররা মনে করেন এভাবে শুধুমাত্র চিকিৎসকদের বেতন বাড়ালেই পরিষেবা উন্নত করা যাবে না। অথচ, মানুষ ভাববে বেতন কম ছিল বলেই পরিষেবা ভালো দিচ্ছিলেন না চিকিৎসকরা, কিংবা বেতন বাড়া সত্ত্বেও পরিষেবা ভালো দিচ্ছেন না তাঁরা। কিন্তু, আসল সমস্যা তো সেটা নয়। পরিকাঠাম🎶ো উন্নত হলে, সমস্ত ক্ষেত্রে দক্ষদের পর্যাপ্ত নিয়োগ হলেই তো প্রকৃত সমস্যার সমাধান হবে।
উপরন্তু, এই প্রেক্ষাপটে কেন বার্ষিক ফেস্ট-এর জন্য সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিকে ২ 𒀰কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আরজি কর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের আরও বক্তব্য, বেতন♍ বাড়লে শুধু চিকিৎসক নয়, সরকারি চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সকলেরই বাড়া উচিত।