ꦆ আজ সিবিএসই দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বা সায়েন্স পরীক্ষা হল। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থেকে পরীক্ষা শুরু হয়। আর চলে দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। আর পরীক্ষার পরে প্রশ্নপত্র নিয়ে মোটের উপরে সন্তোষ প্রকাশ করেছে পড়ুয়ারা। আর স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। তাঁদের মতে, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের (সিবিএসই) বোর্ড পরীক্ষায় যেমন প্রশ্ন করা হয়, সেরকমই করা হয়েছে। বজায় রাখা হয়েছে ভারসাম্য। পড়ুয়াদের জ্ঞান কতটা, সেটা যাচাইয়ের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
মাথা খাটিয়ে উত্তর দিতে হবে, এমন প্রশ্ন এসেছে!
𒊎বুলন্দশহরের বিদ্যাজ্ঞান স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান রেণু তিওয়ারি জানিয়েছেন, সার্বিকভাবে বিজ্ঞানের প্রশ্নে ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে। পড়ুয়ারা যা পড়েছে, সেটা কতটা বুঝেছে, যা যাচাই করার মতো প্রশ্ন ছিল। মাথা খাটিয়ে উত্তর দিতে হবে, এমন প্রশ্ন করা হয়েছে। পড়ুয়াদের জ্ঞান ও দক্ষতা যাচাই করার জন্য এমসিকিউ প্রশ্ন ছিল সেকশন 'এ'-তে।
💝সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সেকশন 'বি'-তে পাঁচটি রিজনিং-নির্ভর প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেকশন 'সি'-তে ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ছিল। ভেবেচিন্তে উত্তর দিতে হয়েছে পড়ুয়াদের। সেকশন 'ডি'-র প্রশ্ন এমনভাবে করা হয়েছিল, যা পড়ুয়াদের ধারণা যাচাই করে দেখবে। আর সেকশন 'ই'-তে পড়ুয়াদের আরও কনসেপ্ট যাচাই করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বুলন্দশহরের বিদ্যাজ্ঞান স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান।
ভালো নম্বর পাবে কারা? জানালেন শিক্ষক
ဣএকইসুরে লখনউয়ের শেখ আনন্দ্রম জয়পুরিয়া স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান জয়ন্ত কুমার বলেছেন, ‘প্রশ্নপত্র সহজ ছিল। বজায় রাখা হয়েছিল ভারসাম্য। যে পড়ুয়ারা সিবিএসই স্যাম্পেল পেপার পড়েছে, এনসিইআরটি (ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং) বই পড়েছে এবং এক্সেম্প্লার এক্সারসাইজ করেছে, তারা ভালো নম্বর পাবে। সার্বিকভাবে বলতে গেলে এবার যেরকম প্রশ্ন করা হয়েছে, তাতে পড়ুয়ারা সন্তোষ প্রকাশ করেছে।’
আরও পড়ুন: ꩲবাবা কৃষক, মা অঙ্গনওয়াড়িকর্মী, দিল্লি জয় করল মধুমেহ নিয়ে বঙ্গপুত্রের হোমিওপ্যাথি গবেষণা
সায়েন্স পরীক্ষা কেমন হল? জানাল পড়ুয়ারা
𝕴মোটামুটি তাঁর কথার প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে পড়ুয়াদের গলায়। মোহালির হারলিন কৌর বলেছে, ‘প্রশ্ন মোটামুটি ছিল। ফিজিক্সের অংশটা কিছুটা জটিল লাগল আমার। তবে সার্বিকভাবে প্রশ্ন ভালো এসেছে। সময়ের মধ্যে লেখা শেষ করার ক্ষেত্রে আমার কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। তবে একেবারে ঠিক সময়ে লেখা শেষ করতে পেরেছি।’
আরও পড়ুন: 🤪HT Bangla Exclusive: সোনার মতোই দামি! বিরল অর্কিডের খোঁজ বাঙালি বিজ্ঞানীর গবেষণায়, কথা বলল HT বাংলা
꧟লখনউয়ের অশ্বিত রতন আবার বলেছেন, 'প্রশ্নপত্র দেখে বিহ্বল হয়ে গিয়ে বংশগতির কয়েকটি পরিভাষা ভুলে গিয়েছিলাম আমি। কেমিস্ট্রিতে কয়েকটি কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলি এনসিইআরটি বই থেকে দেওয়া হয়েছিল। ফলে সেগুলি সহজেই পেরেছি। তবে ফিজিক্সের কেস স্টাডিজের অংশটা একটু জটিল ছিল।'