দীর্ঘ ২২ বছরের অপেক্ষা! বাংলা ছবির হাত ধরেই ফের একবার পর্দার ফিরছেন রাখি গুলজার। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী তিনি। ৪ দশকেরও বেশি সময় ধরে ১০০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। খোদ বিগ বি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে রাখি গুলজা🎀রের অনস্ক্রিন কেমেস্ট্রিই ছিল সবথেকে বেশি সফল। অমিতাভ-রাখির হিট ছবির সংখ্যা প্রায় ১১টি।
হ্য়াঁ, রেখা, জয়া নয়, অমিতাভের সঙ্গে রাখির জুটিই ছিল সবথেকে বেশি হিট। মিস্টার বচ্চনের সঙ্গে রাখির ১১টꦗা হিট ছবির মধ্যে রয়েছে 'রেশমা অউর শেরা' (১৯৭১) ‘কভি কভি’ (১৯৭৬), ‘মুকাদ্দার কা সিকন্দর’ (১৯৭৮), ‘ত্রিশূল’ (১৯৭৮), ‘কসম বাদে’ (১৯৭৮), ‘কালা পাথর’ (১৯৭৯), জুরমানা (১৯৭৯), 'শান' (১৯৮০) ‘বরসাত কি এক রাত’ (১৯৮১), ‘শক্তি’ (১৯৮২), বেমিসাল (ཧ১৯৮২)।
অমিতাভের সঙ্গে একটানা ১১টা হিট দেওয়ার মাঝেও গুলজারের সঙ্গে বিয়ের পর সিনেমার দুনিয়া থেকে বিরতি নেন রাখি। যদিও বিয়ের ১ বছরের মাথাতেই তাঁরা আলাদা হয়ে যান, তবে মেয়ের জন্যই আইনত ডিভোর্স দেননি। এদিকে বিচ্ছেদের পর ফের ১৯৭৬ সালে যশ চোপড়ার ছবি 'কভি কভি' দিয়ে কামব্যাক করেনꦏ রাখি। আর এই ছবিতেও রাখির নায়ক ছিলেন বিগ বি। আ🦹র বিরতির পর পর্দায় ফিরেই ফের হিট দেন অভিনেত্রী। ১৯৭০-১৯৭৪ এবং ১৯৭৫-১৯৮২ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া হিন্দি ছবির অভিনেত্রী ছিলেন রাখি।তাঁর ঝুলিতে রয়েছে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং দুটি বিএফজেএ পুরস্কার জিতেছেন।
আরও পড়ুন-দিব্যি পড়তে-লিখতে পা♈রেন বাংলা, মজুমদার থেকে গুলজার হয়েও মাতৃভাষাকে ভোলেননি রাখি
শেষবার রাখি গুলজার অভিনয় করেন ঋতুপর্ণ ঘোষের 'শুভ মহুরত' ছবিতে। সেটা ছিল ২০০৩ সাল। এই ছবির জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার পান। এরপরও অবশ্য তিনি ২০১৯-এ গৌতম হালদারের 'নির্বাণ' ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। তবে এই ছবি সিনেমাহলে মুক্তি পায়নি। শুধুমাত্র চলচ্চিত্র উৎসবেই দেখা গিয়েছে। তারপর আর কাজ করেননি রাখি।𝓰 তিনি ফিরছেন আগামী ১৬ মে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়-এর 'আমর বস'-এর হাত ধরে। অর্থাৎ সেই অর্থে প্রায় ২২ বছর পর বড় পর্দায়, দর্শক দ🐟রবারে ফিরছেন রাখি, সৌজন্যে 'আমার বস'।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ১৫ অগস্ট নদিয়ার রানাঘাট শহরে বাঙালি পরিবারে জন্ম হয় রাখির। বাঙালি রাখির প্রথম ছবিও কিন্তু বাংলা। ১৯৬৭ সালে 'বধূ বরণ' ছবির হাত ধরেই সিনেমার পর্দায় পা রেখ🀅েছিলেন রাখি গুলজার, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। এরপর ওই বছরই তাঁকে দেখা যায় বাংলা ছবি 'বাঘিনী'তে। পরে ১৯৭০ সালে রাজশ্রী প্রোডাকশনের ক্রাইম থ্রিলার ‘জীবন মৃত্যু’ (১৯৭০) -এ ধর্মেন্দ্রের বিপরীতে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পান।