গ্রীষ্মকালে খাবারের জিনিসপত্র সব♔চেয়ে বেশি নষ্ট হয়। একটু অসাবধানতার কারণে, সঞ্চিত দুধও নষ্ট হয়ে যায়। গ্রীষ্ম আসার সাথে সাথে যদি আপনার ঘরে দুধ কেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে আপনার এই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা উচিত। যদি এট🙈ি গ্রহণ করা হয়, তাহলে ফ্রিজে না রাখলেও দুধ জমাট বাঁধবে না এবং পানযোগ্য থাকবে।
১) গ্রীষ্মে যদি আপনি কিছু নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে চান, তাহলে তা বারবার গরম করা উচিত। দুধ যাতে কেটে যেতে না পারে, 🧔ত✃ার জন্য প্রতি তিন থেকে চার ঘন্টা অন্তর অন্তর গরম করুন। গরম দুধ কখনোই পুরোপুরি ঢেকে রাখবেন না। এতে দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
২) যদি আপনি দুধ ফুটাতে ভুলে যান এবং এটি দই হয়ে যাওয়ার বিষয়ে চিন্তিত হন, তাহলে ♐এতে এক চিমটি বেকিং সোডা যোগ করুন এবং তারপর ফুটিয়ে নিন। এতে দুধ জমাট বাঁধবে না। খুব বেশি বেকিং সোডা যোগ করা এড়িয়ে চলুন কারণ এটি করলে দুধের স্বাদ নষ্ট হতে পারে।
৩) যদি আপনার বাড়িতে রেফ্রিজারেটর না থাকে, অথবা রেফ্রিজারেটরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা কাজ না করে, তাহলে♏ প্রথমে দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর দুধ ঠান্ডা করে একটি বড় পাত্রে পানি ভরে ফ্যানের নিচে দুধ রেখে দিন। এটি দুধ জমাট বাঁধতে বাধা দেবে।
৪) অনেক সময় এমন হয় যে লোকেরা 𓂃পুরানো দুধের পাত্রে নতুন দুধ ঢেলে গরꦅম করে। এর ফলে দুধ জমাট বাঁধতে পারে। গ্রীষ্মকালে দুধ পরিষ্কার পাত্রে ফুটানো উচিত। পাত্রটি পরিষ্কার কিনা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিন কারণ পাত্রে সাবানের উপস্থিতি দুধ জমাট বাঁধতে পারে।
৫) বিশেষজ্ঞদের মতে, প্যাকেটজাত দুধ বেশিক্ষণ ফুটানো উচিত নয়, কারণ পাস্তুরিত দুধ গরম করার কোনও প্রয়োজন নেই। এই দুধ পুনরায় গরম করলে এর পুষ্টিগুণ কমে যায🐻়।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি প্রাথমিক ভাবে অন্য ভাষায় প্রকাশিত। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্﷽যমে এটির বাংলা তরজমা করা হয়েছে। HT বাংলার তরফে চেষ্টা করা হয়েছে, বিষয়টির গুরুত্ব অনুযায়ী নির্ভুল ভাবে পরিবেশন করার। এর পরেও ভাষান্তরের ত্রুটি থাকলে, তা ক্ষমার্হ এবং পাঠকের মার্জনা প্রার্থনীয়।