♋বয়স মাত্র ২৯ বছর। তিনি দিল্লির কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে পড়াতেন। রবিবার বসুন্ধরাতে তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকেই তাঁর মৃতদেহ মিলেছে। অস্বাভাবিক মৃত্যু। শেষবারের মতো তাঁর ফোন থেকে বাবা মা ও ভাইয়ের কাছে একটা হোয়াটস অ্য়াপ মেসেজ গিয়েছিল। সেখানে তিনি লিখেছেন স্বামীর কাছ থেকে রোজ যে গঞ্জনা শুনছি সেটা আর নিতে পারছি না।
সেখানে লেখা ছিল, যেটাই করি সেটাতেই খুঁত ধরে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি﷽ সম্পর্কে অনিতা শর্মা নামে ওই শিক্ষিকা লিখেছেন শুধু ওরা নিতে জানে। আর কিছু জানে না।
ಌপুলিশ জানিয়েছে স্বামী সহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে শাশুড়ি পলাতক।
🅺একেবারে শেষ লাইনে তিনি স্বামীকে লিখেছেন, আমি খাবার তৈরি করে রেখেছি গৌরব কৌশিক। দয়া করে খেয়ে নিও।
👍তাঁর স্বামী পেশায় চিকিৎসক। তাঁকে ও তাঁর বাবাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। মোটামুটি দেড়টা নাগাদ এই ঘটনা হয়েছে।
🐎পুলিশ জানিয়েছে মেসেজ পাওয়ার পরেই পরিবারের লোকজন বার বার ফোন করছিলেন। কিন্তু কোনও উত্তর মেলেনি। এরপরই তারা স্বামীকে ফোন করেন। তিনি বাড়িতে এসে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তিনি স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
🍌২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর তাদের বিয়ে হয়েছিল। তাদের চার বছর বয়সি পুত্র রয়েছে। অনিতা ছিলেন আঁকার শিক্ষিকা। তিনি লিখেছেন, আমার চাকরিকে বিয়ে করেছিল, আমাকে নয়।
🐻তিনি লিখেছেন, আমার স্বামী চাইতেন একজন সুন্দরী, কঠোর পরিশ্রমী মহিলা যিনি আবার চাকরিও করবেন। আমি যতটা পারি সব করতাম, কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না। তারা চাইতেন খালি শ্বশুরবাড়ির উপর খেয়াল রাখতে হবে। কিন্তু আমারও বাবা মা, ভাই আছে। তারাও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সবেতেই স্বামী আমার খুঁত ধরতেন।
🍌তিনি লিখেছেন, শ্বশুরবাড়ি খালি ভাবত একজন কাজের মহিলা। ভালো থাকার ভান করতে করতে আমি ক্লান্ত। আমার স্বামী আমার অ্যাকাউন্ট, চেকবুক সব দেখত। দয়া করে আমার সন্তানকে দেখো। আমি ওকে খুব ভালোবাসি। আমি চাই তুমি ওকে তোমার সঙ্গে রেখো। তিনি লিখেছেন, আমি চাই না ও বাবার মতো হোক।
অনিতার বাবার দাবি, বিয়ে💙তে ২৬ লাখ টাকা খরচ করেছি। সোনা রূপো সব দিয়েছি। তবে তারা চার চাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা দিতে পারেননি তিনি।