তিনজনই দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজনের ছোড়া গুলিতে প্রাণ গেল দ্বিতীয় জনের। আর গুরুতর জখম হল তৃ🦹তীয় জন! শিহরণ জাগানো এই ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) সন্ধ্যায় - বিহারের রোহতাস জেলার ধানবাদ থানার অন্তর্গত টাটা মোটর্স এজেন্সির নিকবর্তী ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক বা জি টি রোডের উপর।
ঘটনায় নিহত 𝓰কিশোরের নাম অমিত কুমার। আর তার যে সহপাঠী এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে, তার নাম সঞ্জিত কুমার। তারা দু'জনই দেহরি মুফাস্সিল থানার অন্তর্গত শম্ভু বিঘা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন তাদের পরীক্ষা ছিল🍸। পরীক্ষা দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে একটি অটোয় চড়ে বাড়ি ফিরছিল দুই কিশোর। তখনই এই ঘটনা ঘটে। তাদের পরীক্ষার সিট পড়ღেছিল সাসারামের সেন্ট আন্না হাইস্কুলে।
এই ঘটনার সঙ্গে যে তিন কিশোর যুক্তꦜ (আক্রান্ত ও অভিযুক্ত) রয়েছে, তাদের বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। এবং তারা তিনজনই দেহরির একটি স্কুলের পড়ুয়া। সেখান থেকেই এবছর দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসেছিল তারা।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত কিশোরকে তারই এক সহপাঠী দীর্ঘদিন ধরে হেনস্থা করে আসছিল। সেই হেনস🎶্থাকারীকে 'শিক্ষা দিতে'ই গুলি চালꦯিয়েছিল হামলারকারী কিশোর। হেনস্থায় অভিযুক্ত ওই কিশোরও একই অটোয় ছিল।
কিন্তু, হামলাকারী কিশোরের ছোড়া গুলি তার গায়ে লাগেনি। সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং যে অন্য দুই কিশোরের গায়ে সেই গুলি লাগে, তারা কোনও দিনই হামলাকারীর সঙ্গ দুর্ব্যবহার করেনি। 🔜রোহতাসের পু🀅লিশ সুপার রওশন কুমার একথা জানিয়েছেন।
তাঁদের তদন্তে আরও উঠে এসেছে, হামলাকারী কিশোর অত্যন্ত গরিব ও দুর্বল পরিবারের। সেꩲ যাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল, সেই ছেলেটি ক্ল꧋াসের আরও কিছু ছেলেকে নিয়ে একটি দল তৈরি করেছে। এই দলের ছেলেরা ক্লাসের বাকি ছাত্রদের নানাভাবে হেনস্থা করে। হামলাকারী ছাত্রের উপর এই বেয়াড়া ছাত্রদের দলটি গত প্রায় ২ বছর ধরে অত্যাচার করছিল।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, 'সম্প্রতি প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভে গিয়েছিল হামলাকারী কিশোর। সেই পথেই এক ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় তার। সেই 😼ব্যক্তি কিশোরকে বলে, যদি ২৫ হাজার টাকা জোগাড় করতে পারে, তাহলে তাকে একটি পিস্তল ও গুলি এনে দেওয়া হবে। হামলাকারী ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী। সে অনলাইন ট্রেডিং করে ওই টাকা রোজগার করে এবং সেই টাকা দিয়ে পিস্তল ও গুলি কেনে।'
গত𓃲 বুধবার ওই ছাত্রটি ফের হেনস্থার শিকার হয়। এবং তার পরদিনই সে এই কাণ্ড ঘটায়। যার ফলে নিরপরাধ এক ছাত্রকে প্রাণ দিতে হয় এবং অন্যজনকে জখম হতে হয়।