রাত পোহালেই (মঙ্গলবার - ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) ইস্তফা দিতে চলেছেন ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) রাজীব কুমার। তার আগে, আজ (সোমবার - ১৭ ফেব্রুয়🍰ারি, ২০২৫) রাজীব কুমারের উত্তরসূরি খুঁজতে বৈঠকে বসে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সংশ্লিষ্ট প্যানেল। সূত্রের দাবি, এদিনের এই বৈঠকে নাকি ভারতের পরবর্তী সিইসি-র নাম চূড়ান্ত 🅘করা হয়ে গিয়েছে।
সরকারের একটি সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই তাদের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছেন, 'আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই' পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম ঘোষণা করে🔜 দেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে যে প্যানেল বা কমিটি সিইসি-কে নির্বাচিত করে, তাতে 🌃প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একজন সদস্য (যিনি প্রধানমন্ত্রী দ্বারাই মনোনীত) এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
যদিও কংগ্রেস🌞ের বক্তব্য হল, সরকারের এদিনের এই বৈঠক স্থগিত রাখা উচিত ছিল তত দিন পর্যন্ত, যত দিন না এই বিষয়টি নিয়💟ে সুপ্রিম কোর্টের শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।
সোমবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। সেখানে কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন বলেন, 'আজ পরবর্তী সিইসি-র বাছাই সংক্রান্ত একটি বৈঠক করা হয়। অথচ, এই নিয়োগ প্যানেলের গঠন কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে𒆙। যার পরবর্তী শুনানির দিন ধ🐭ার্য করা হয়েছে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি। তাই কংগ্রেস মনে করে, এই পরিস্থিতিতে আজকের এই বৈঠক স্থগিত রাখা উচিত ছিল।'
প্রসঙ্গত🔯, ইতিমধ্য়েই এই নিয়োগ প্যানেল থেকে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার তীব্র বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস-সহ অন্য়ান্য বিরোধী দল। তাদের বক্তব্য, সিইসি-র নিয়োগ নিজেদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই মোদী সরকার এই কম্মটি করেছে। বিষয়টি নিয়ে এদিনও সরব হয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও র⛄াহুল গান্ধী এদিনের বৈঠকে যোগ দেন।
এদিকে, রাজীব কুমার পদত্যাগ করার পর নির্বাচন কমিশনে সবথেকে সিনিয়র আধিকারিক হিসাবে থেকে যাবেন জ্ঞানেশ কুমার। ইতিমধ্যেই তাঁর কার🌠্যকালের মেয়াদ ২০২৯ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একাধিক সূত্র মারফত সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, তিনি ভারতের পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেও হতে পারেন।
উল্লেখ্য, পরꦜবর্তী সিইসি কে হবেন, সেই প্রক্রিয়াকে আরও ছোট করে আনতে সম্প্রতি একটি সার্চ কমিটি গড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যার ম💧াথায় ছিলেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।