আয়োজন ছিল 'অখিল ভারতীয় মারাঠি সাহিত্য' সম্মেলনের। সেখানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে সাংসদ শরদ পাওয়ার। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিত🍸ে দুই বিপক্ষ রাজনৈতিক শিবিরের সদস্য নরেন্দ্র মোদী ও শরদ পাওয়♔ার পাশাপাশি বসতেই একাধিক দৃশ্য উঠে এল আয়োজনে। বিশেষত, যেখানে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একনাথ শিন্ডের অবস্থান ঘিরে জল্পনা তৈরি হচ্ছে, সেখানে শরদ পাওয়ারের পাশে নরেন্দ্র মোদীর বসা এবং দুজনের কথাবার্তা ঘিরে ভিডিয়োর ফ্রেম বেশ নজর কাড়ছে।
যে ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, তাতে দেখা যায়, ওই সভায় বর্ষীয়ান এনসিপি নেতা তথা সাংসদ শরদ পাওয়ার প্রবেশ করছেন। বর্ষীয়ান শরদ পাওয়ারকে বসতে সাহায্য করছেন নরেন্দ্র মোদী। শরদকে চেয়ারে ধরে নিয়ে গিয়ে বসাতে দেখা যায় নরেন্দ্র মোদীকে। সেখানেই শেষ নয়। সভাস্থলে টেবিলে রাখা জলের গ্লাসে শরদের জন্য জলও ঢেলে দেন মোদী। এই দৃশ্য দেখে সভাস্থলে তখন করতারি ধ্বনিত হচ্ছে। এদিকে, মারাঠাভূমের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে ঘিরে জল্পনা ✃তৈরি হয়েছে। তারই মাঝে এদিন একনাথ শিন্ডে একটি ইঙ্গিতবহ বার্তায় লিখেছেন,' আমাকে হালকাভাবে নেবন ꩵনা। আমি এটা তাঁদের বলে দিয়েছি, যাঁরা আমাকে হালকাভাবে নিয়েছেন। আমি সাধারণ একজন পার্টি কর্মী। তবে আমা বালাসেহেবের কর্মী। আর সকলে সেটা বুঝে নিন আমার সম্পর্কে। ২০২২ সালে যখন এটা হালকাভাবে নেওয়া হয়েছিল, তখন আমি সরকার পাল্টে দিয়েছিলাম। আমরা সরকার এনেছিলাম মানুষের ইচ্ছা অনুযায়ী।'
( মণিপুরে লুট হওয়া অস্ত্র ফেরাতে উ🐠দ্যোগ! ৭ দিনের ডেডলাইন সেট করে দিলেন রাজ্যপাল)
ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, একনাথ শিন্ডে, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নভিশের ডাকা মিটি🌊ং এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিন্ডের বিদ্রোহের ফলে উদ্ধব ঠাকরে সরকারের পতন ঘটে এবং ২০২২ সালে শিবসেনা বিভক্ত হয়। পরে তিনি বিজেপির সাথে জোট বেঁধে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হন। এরপর কিছুমাস আগে হওয়া বিধানসভা ভোটের পর একনাথ শিন্ডে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হন।