রাজস্থানের কোটার বিভিন্ন কোচিং সেন্টা♊রে পড়তে আসা ছেলেমেয়েরা নাকি প্রেমে পড়ে একের পর এক আত্মহত্যা করছেন! এমনই আজব যুক্তি খাড়া করলেন সেরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাবর। একইসঙ্গে তিনি বাবা-মায়েদের অনুরোধ করেছেন, তাঁরা যাতে সন্তানদের উপর পড়াশোনা করার জন্য মাত্রাতিরিক্ত চাপ না দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সাল শুরু হয়েছে, এখনও পর্যন্ত একমাসও পার হয়নি। তার মধ্যেই কোটায় তিন পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই মনে করা হচ্ছে, সেগুলি আত্মহত্যার ঘটনা। গতꦆ বছর এই কোটা কোচিং হাবেই মোট ১৭টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল।
অভিযোগ, পাহাড় প্রমাণ পড়াশোনা ও তথাকথিত সাফল্যে ইঁদুর দৌড়ে পাল্লা দিতে না পেরেই তরুণ ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের শেষ করে দিচ্ꦫছেন! যা নিয়ে নানা মহলে সমালোচনাও কম হয়꧙নি। কিন্তু,তবু সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি।
এই প্রেক্ষাপটে আত্মহত্যার ঘটনꦕাগুলি নিয়ে আজব দাবি করে বসলেন মদন দিলাবর। উল্লেখ্য, তিনি 🔜শুধুমাত্র রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী নন, পঞ্চায়েত মন্ত্রীও বটে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ🅷্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, বুন্দিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন মন্ত্রী মশাই। সেই অনুষ্ঠান শেষ কর♔ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।
যেহেতু তিনি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী, তাই তাঁকে কোটায় ঘটে চলা একের পর এক প💧ড়ুয়ার আত্মহত্যা নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। তার জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'আমি আন্তরিকভাবে এক🐈টি অনুরোধ করতে চাই। অনেক হয়তো এতে বিরক্ত হবেন। তবু বলব, অভিভাবকদের আরও একটু সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। সন্তানদের উপর অযথা চাপ দিলে হবে না।'
মন্ত্রী আরও বলেন, সব পড়ুয়ারই নিজস্ব ক্ষমতা থাকে, পছন্দ থাকে। সেটা না বুঝে যদি তাঁদের যদি এমন কোনও বিষয় নিয়ে পড়তে বাধ্য করা হয়, যেটা তাঁরা পড়তে ভালোবাসেন না, বা যেট🌺া তাঁরা ভালো করে বুঝতেও পারেন না, তাহলে তাঁরা ক্রমেই হতাশায় ভুগতে শুরু করবেন।
তা🐻ঁর মতে, একজন পড়ুয়া পরীক্ষায় কত ভালো ফল করবেন, তা যতটা না কোচিং সেন্টারের উপর নির্ভর করে, তার থেকে অনেক বেশি তাঁর বন্ধুদের উপর নির্ভর করে!
আর এরপরই মন্ত্রী মশাই বলে বসেন, 'প্রেমে পড়ার কারণেই' কোটাꦐয় একের পর এক পড়ুয়া আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন! বেশ কিছু ক্ষেত্রেই নাকি এমনটা হয়েছে।
এখানেই থামেননি রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে আরও বলেন, ছেলেমেয়েরা কোথায় যাচ্ছে না যাচ্ছে, সেই বিষয়ে বাবা-মায়েদের আরও সচেতন হতে হ🏅বে। ছেলেমেয়েদের সবকিছু তাঁদের জানতে হবে।
যদিও মন্ত্রীর আক্ষেপ, বা𒅌বা-মায়েরা নাকি এই বিষয়ে মোটেও খুব একটা সচেতন নন। সেই কারণেই তাঁরা তাঁদের সন্তানদের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। আর তখনই ছেলেমেয়েরা ভুল পথে চালিত হয়। কারণ, ভুল পথে চালিত হওয়াটাই নাকি তরুণ পড়ুয়াদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।