রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএর তরফে প্রার্থী হয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। আদিবাসী নেত্রীকে প্রার্থী করায় বাংলায় কতটা চাপে পড়েছে তৃণমূল? সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তারপরেই লোকসভা নির্বাচন। এদিকে দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করেনি তৃণমূল। সেক্ষেত্রে প্রথম আশঙ্কা দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন না করায় আদিবাসীদের অনেকেই আগামী ভোটগুলিতে শাসকদলের পাশ🔥 থেকে সরে যেতে পারে। এতে বাংলায় তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে বড় প্রভাব পড়তে পারে।
জঙ্গলমহল সহ রাজ্যের অন্তত ৪৭টি বিধানসভা ও সাতটি লোকসভা আসনে আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। দ্রৌপদীকে সমর্থন না করার জেরে সেই ভোট ব্যাঙ্ক কি মুখ ফেরাতে পারে তৃণমূলের দিক থেকে? তবে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন, প্রার্থীর নাম আগে জানলে ভেবে দেখত তৃণমূল। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানায়নি। তবে দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন বা🐲 বিরোধিতা করা মানেই আদিবাস🐻ী ভোটে প্রভাব পড়বে এমনটা নয়। সেই এলাকায় দ⛎লের কতট🤪া প্রভাব রয়েছে তার উপর সবটা নির্ভর করছে।
তৃণমূলের মুখপাত্র সুখেন্দু শেখর রায়💖 জানিয়েছেন, এর আগেও সর্বসম্মতি ক্রমে প্রার্থী হয়েছে। কিন্তু দ্রৌপদী মুর্মুর নামটি একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। বিজেপি চায়নি সর্বসম্মতিক্রমে প্রার্থী হোক। ꦯসেকারনেই তারা আগে নাম জানায়নি।
এক তৃণমূল নেতার কথায়, দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী তথা মহিলা। তাঁকে 𒅌সমর্থন করলে যে আখেরে ভালোই হত সেট🅰া স্বীকার করে নিচ্ছেন দলেরই একাংশ। এদিকে এই ইস্যুতে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপি প্রচারে সুর চড়াতে পারে বলেও মনে করছেন শাসকদলের অনেকেই।