মানুষের মতো হেসে চলেছে রোবট। মুখে এক্সপ্রেশনও দেখাচ্ছে। এখন সেই দিন বেশি দূরে নেই, যখন রোবটরাও মানুষের মতো হাসবে। জাপানি বিজ্ঞানীদের এই আবিস্কার, পুরো বিশ্বকে অবাক♎ করে দিয়েছে। তাঁরা আশ্চর্যজনক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যার সাহায্যﷺে এখন রোবটদেরও হাসতে দেখা যাবে। শুধু তাই নয়, হাসির পাশাপাশি রোবটের মুখে কান্না ও রাগের মতো অন্যান্য অভিব্যক্তিও দেখা যাবে। রোবট নিয়ে জাপানের এই আবিষ্কার আগামী দিনে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হবে।
কীভাবে জাপানি বিজ্ঞানীরা এই অলৌকিক কীর্তি করেছেন?
জাপানি বিজ্ঞানীদের এই দুর্দান্ত আবি💯ষ্কারের আগে, রোবটদের হাসতে, হাসতে বা কথা বলতে দেখা যেত শুধুমাত্র সায়েন্স ফিকশন মুভিতে। কিন্তু এখন তারা তা বাস্তবে পরিণত করেছে। জাপানি বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো 'মানুষের' ত্বক থেকে রোবটের এই ✱হাসি মুখ তৈরি করেছেন।
মানুষের ত্বক কোথায় পেলেন বিজ্ঞানীরা
টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারেই তৈরি করা জীবন্ত টিস্যু এবং মানুষের ত্বকের কোষগুলিকে মিশ্রিত করে এটি তৈরি করেছেন। এটি আসল ত্বকের মত𒐪ো নরম এবং নিজেকে নিরাময়ও করতে পারে। বিজ্ঞানীরা কোলাজেন এবং ইলাস্টিনের ছোট ফাইবারের সাহায্যে ত্বককে আরও শক্তিশালী করেছেন। রোবটে এই কৃত্রিম চামড়া বসানোর আগে এর মধ্যে ছোট ছোট গর্ত তৈরি করে তাতে কোলাজেন জেল লাগানো হয়েছিল। এটি আসল ত্বকের মতো এতই নমনীয় যে রোবট নড়াচড়া করলেও এটি ছিঁড়ে যাবে না।
প্রথমবারের মতো এর💮 পরীক্ষার ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে এক্সে। ভিডিয়োটিতে নরম-গোলাপী রঙের মুখ দেখা গিয়েছে। সেই মুখে রয়েছে চোখও। পরের মুহুর্তে এই মুখটিতে ডিম্প🌺ল-ভরা হাসি ফুটে উঠেছিল। ভিডিয়ো দেখিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই মুখ রোবটে বসানো যাবে, যার কারণে রোবটগুলো মানুষের মতো হাসতে পাড়বে। জাপানি বিজ্ঞানীদের এই দুর্দান্ত আবিষ্কার, রোবটে যেন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
আরও পড়ুন: (Sunita W🎃illiams: পৃথিবীতে ফেরা হচ্🅷ছে না সুনীতার, আটকে রয়েছেন মহাকাশেই! কী বলছে NASA)
যাইহোক, এই♔ আবিষ্কার কিন্তু মানব জীবনেও এক বড়﷽ উন্নতি ঘটাবে বলে আশা রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রধান গবেষক অধ্যাপক শোজি তাকেউচি বলেছেন যে এই গবেষণাটি ত্বকের বার্ধক্য, প্রসাধনী এবং প্লাস্টিক সার্জারির মতো অস্ত্রোপচার পদ্ধতির গবেষণায় সহায়ক হতে পারে। যদিও, বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার আগে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।