নদিয়ার চাপরা থানার অন্তর্গত সীমানগর বিএসএফ ক্যাম্পের কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল। আর তার জেরে বাদ গেল দুই ব্যক্তির একটি করে দুটি হাত। এই ঘটনায় রীতিমতো আলোড়ন ছড়িয়ে পড়ল। যে দু’জনের হাত বাদ গিয়েছে তাঁদের নাম অসিত দাস (৫০)। যিনি পেশাই ঘটক। আর একজন সনাতন হালদার (৬৫)। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। বাসের জানালার বাইরে হাত বের করে বসেন এই দুই🐻 যাত্রী। হঠাৎই ওই বাসের গা ঘেঁষে চলে যায় অন্য একটি বাস। তার জেরেই এক যাত্রীর হাত কনুই থেকে কেটে পড়ে রাস্তায়। অন্য যাত্রীর হাতꩵ কনুই থেকে ঝুলে পড়ে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন কৃষ্ণনগর থেকে হৃদয়পুর বাসে করে যাচ্ছিলেন ওই দু’জন। বাসের জানালা দিয়ে দুই ব্যক্তি একটি করে হাত♈ বাইরে বের করে যাচ্ছিলেন। অপরদিক থেকে আসা করিমপুর থেকে কৃষ্ণনগর গ্রামে আসা বাসে সজোরে ধাক্কা ম🦩ারে। হাতে ধাক্কা মারলে ওই দুই ব্যক্তির দুটি হাত কেটে যায়। একজনের হাত ঘটানাস্থলেই বাস থেকে কেটে পড়ে যায় রাস্তায়। আর একজনের হাত কেটে ঝুলতে থাকে। এই ঘটনার পর সেখান থেকে তাঁদেরকে বাসে করে নিয়ে আসা হয় কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে।
আরও পড়ুন: বণিকদের বাজি কারখানার লাইসেন্স বাতিল দু’বছর আগেই, রিপোর্ট জমা পড়ল নবান্নে
অন্যদিকে এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতা স্থানান্তরিত করা হয়। যদিও এই ঘটনার পরে পুলিশ বাস এবং বাসের কোন কর্মীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চাপড়া থানার পুলিশ। বুধবার শিউরে ওঠার মতো এই দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ায় এখন আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। নদিয়ার চাপড়া থানার সীমানগর বিএসএফ ক্যাম্পের কাছে এই ঘটনা নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। কৃষ্ণনগর থেকে বেসরকারি বাসে হৃদয়পুরে যাচ্ছিলেন এই দু’জন। চাপড়া বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়ানোর কথা ছিল বাসটির। তার আগেই করিমপুরের 👍দিক থেকে আসা কৃষ্ণনগরগামী একটি বাস এসে ধাক্কা মারে এই বাসে।
এছাড়া ভয়ঙ্কর এই ঘটনা চোখের সামনে দেখে এক ব্যক্তি প্রাণপণে চিৎকার করতে থাকেন। তখন রক্তাক্ত অবস্থায় আর্তনাদ করছেন ওই দু’জন। হাতের অংশ কেটে মাটিতে পড়ে থাকার মতো বীভৎস ঘটনা দেখে অনেক শিউরে ওঠেন। আর একজনের অবস্থা একইরকম ভয়ঙ্কর। সেই হাত বাস থেকে আবার ঝুলছে। যা দেখে সকলেই ভয় পেয়ে যান। এই ঘটনায় ঘাতক বাসের চালককে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনার সময় বাসে ছিলেন শিক্ষক রবিউল মণ্ডল। তিনি গোটা ঘটনা দেখে বলেন, ‘ভয়াবহ দৃশ💃্য। তবে লোকজন ভিড় করলেও তাঁদের উদ্ধার করেননি কেউ। আমি এবং অন্য আর একজন শিক্ষক দু’জনকে বাসে করেই হাসপাতালে নিয়ে যাই।’