পাথরপ্রতিমার বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন রাজ্য–রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে। এই ইস্যুতে বিজেপি ময়দানে নেমে পড়েছে। সুকান্ত মজুমদার সরাসরি চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। আর এনআইএ তদন্তের দ🧔াবি করেছেন। দিলীপ ঘোষও এনআইএ তদন্ত চেয়েছেন। এই আবহে ১২ ঘণ্টা পার করার আগেই ওই বাজি কারখানার এক মালিককে 🌺আটক করল পুলিশ। পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে এটাই প্রথম আটক। আটক ব্যক্তি এই কারখানা একজন মালিক। আজ, মঙ্গলবার ঢোলাহাট থানার পুলিশ আটক করেছে চন্দ্রকান্ত বণিককে। আর এক মালিক গা–ঢাকা দেওয়ায় তার খোঁজে পুলিশ জোর তল্লাশি শুরু করেছে। আর এই বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করল নবান্ন।
এই বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৮জন মারা গিয়েছেন। যা এককথায় আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করেছে। এই এলাকায় বাসন্তী পুজো রয়েছে। তাই সোমবার রাতে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট থানা এলাকার বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বেআইনিভাবে বꦚাজি তৈরি হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। রাতে ওই বাজির স্তূপে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। তার জেরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ঘটনা ঘটে। বাড়ির মধ্যে সকলে আটকে পড়েন। তার জেরে একের পর এক সদস্যের মৃত্যু হয়। বাড়িতে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হওয়ায় জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় সাতজনের। আজ একজনের💙 মৃত্যু হয় হাসপাতালে। ওই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা।
আরও পড়ুন: ‘আমরা দাবি করছি এনআইএ হোক’, পাথরপ্রতিমায় বিস্ফোরণের ঘটনায় সরব দিলীপ ঘোষ
এই ঘটনার পর থেকেই গা–ঢাকা দিয়ে ছিলেন কারখানার দুই মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক এবং তুষার বণিক। গতকাল রাত থেকেই এই ঘটনা নিয়ে ফুটছিল স্থানীয় মানুষজন। আজ তাঁরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। অ্যাকচুয়াল ফ্যাক্ট কী? সেটা জেনে রিপোর্ট তৈরি করে পাঠাতে বলেছে নবান্ন। এই নির্দেশ এসেছে জেলাশাসকের কাছে। আজ সকালে চন্দ্রকান্ত বণিককে আটক করে পুলিশ। তাতেই❀ এই কারখানার মালিক চাপে পড়ে যান। কারণ এখনও গা–ঢাকা দিয়ে আছেন তুষার বণিক। তাঁর খোঁজে জোরকদমে চলছে। আর দফায় দফায় জেরা শুরু করা হয়েছে বাজি কারখানার মালিক চন্দ্রনাথ বণিককে।
এই জেরায় যা উঠে আসবে এবং এলাকার থেকে যে তথ্য জোগাড় করা হবে সেটা লিখে রিপোর্ট তৈরি করে পাঠানো হবে নবান্নে। একেবারে গ্রাউন্ড রিপোর্ট পাঠানো হবে নবান্নে বলে সূত্রের খবর। কারখানা মালিক চন্দ্রকান্ত বণিকের কাকা থেকে প্রতিবেশী সকলেই তাঁদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। তাঁদের দাবি, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই বেআইনি বাজি তৈরি হচ্ছিল। বাজির আড়ালে এই কারখানায় বোমা তৈরি হতো। বহুবার সতর্ক করা হলেও কোনও লাভ হয়নি। প্রভাবশালী বলে পুলিশে যেতে সাহস গড়ে ওঠেনি। যা এখন ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনল। কারখানা বন্ধ করতে একাধিকবার পুলিশে✅র দ্বারস্থ হন স্থানীয় 𒐪গ্রামবাসীরা। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি।