উস্ত🌄ির শুটআউটের ঘটনার এবার কিনারা করে ফেলল পুলিশ। স্রেফ ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধের জেরে একে অপরকে খুন করে ফেললেন। আর সেটা করতে রীতিমতো সুপারি ক💛িলার নিয়োগ করা হয়েছিল। মাটি ব্যবসায়ী বুদ্ধদেব হালদারকে খুন করার জন্য একেবারে পরিকল্পনা ছকে ফেলা হয়। কারণ এই গোলমালের ইতি চাইছিল খোকন। আর সেটা একেবারে সম্ভব বুদ্ধদেবকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিলে। এই বুদ্ধি খেলে যাওয়ার পরই মাটি ব্যবসায়ী বুদ্ধদেব হালদারকে খুন করার ছক কষা হয়। এই খুনের মাস্টারমাইন্ড খোকন পাঁচ লক্ষ টাকা সুপারিও দিয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে এই খুনের ঘটনায় এবার পুলিশ মোট আটজনকে গ্রেফতার করল।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তির ওই খুনের ঘটনায় রীতিমতো আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছিল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এই শুটআউট করে🌊 খুনের ঘটনা ঘটেছিল। ২১ দিনের মাথায় ওই খুনের ঘটনার কিনারা করল জ🧜েলা পুলিশ। ওই দিন ব্যবসায়ী বুদ্ধদেব হালদারকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আর তার জেরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বুদ্ধদেব। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। যা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল। আতঙ্কে বসবাস করতে শুরু করেন উস্তি থানার বাগারিয়া বাজারের বাসিন্দারা। তদন্তে নেমে একাধিক সূত্র মেলে। আর তদন্তকারীরা তার ভিত্তিতেই এই হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল। খুন করার জন্য দেওয়া হয়েছিল ৫ লক্ষ টাকার সুপারি। এই খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করার পাশাপাশি একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং তাজা কার্তুজ উদ্ধারও হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘কেন এখনও ধরা করা গেল না?’ পানাগড় কাণ্ডে বাবলু গ্রেফতার হলেও প্রশ্ন মৃতার মায়ের
তবে এখন স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। কারণ মূল অভিযুক্ত খোকন সহ ৮জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা খুন করার কাজই করত বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। আজ, বৃহস্পতিবার উস্তির ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল) মিতুনকুমার দে বলেন, ‘এই খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত খোকন। সে পাঁচ লক্ষ টাকা সুপারি দিয়ে খুন করিয়েছে। ব্যবসায়ীক😼ে খুন করার জন্য বরাত দিয়েছিল সে। পূর্ব পরিকল্পনা করেই এই বুদ্ধদেব হালদারকে খুন করা হয়। তখন থেকেই সকলে গা🦂–ঢাকা দেয়।’
কেমন করে সফল হল অপারেশন? পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের পরই সকলে ফোন বন্ধ করে দেয়। কারণ যাতে পুলিশ মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করতে না পারে। তখন পুলিশ নিজেদের সোর্সকে অ্যাকটিভ করে দেয়। সেই স্থানীয় সোর্সই গোপন সূত্রে খবর দিয়ে দেয়। এক একজনের খবর একেবারে সঠিক দেওয়াতেই এই সাফল্য মেলে। আর সেই সূত্র ধরেই ওই আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেছেন, ‘বুদ্ধদেবের সঙ্গে খোকনের ব্যবসা নিয়ে গোলমাল ছিল। মাটি ফেলা থেকে জমির দালালি করত দু’জন। এখানেই টাকা পয়সা নিয়ে রেষারেষি শুরু হয়। আর সেটা বাড়াবাড𝓰়ি পর্যায়ে পৌঁছয়। খোকনের সন্দেহ করত তাকে খুন করতে পারে বুদ্ধদেব। তাই বুদ্ধদেবকেই সরিয়ে দিতে পরিকল্পনা ছকে ফেলে খোকন। দেবাশীষ দত্ত তার ভায়রাভাই হওয়ায় তাকেই খুনের কাজে চালায়।’