বীরভূমের মহম্মদবাজার থানা এলাকায় তরুণী গৃহবধূ ও তাঁর ২ শিশুসন্তানের হত্যাকাণ্ডে ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ১ জনের সঙ্গে নিহত বধূর বি🌞বাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় আরও ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ💜্ধার হয়েছে বধূর মোবাইল ফোনটি।
জানা গিয়েছে, নিহত বধূ লক্ষ্মী মাড্ডির স্বামী দুর্গাপুরে থাকেন। সেই সূূত্রে নয়ন বিত্তার নামে মল্লারপুর থানা এলাকার মাছমহুলা গ্রামের 🌠বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান লক্ষ্মী। মাঝে মাঝেই লক্ষ্মীর বাড়িতে আসতেন ওই যুবক। বৃহস্পতিবার রাতেও তিনি লক্ষ্মী মাড্ডির বাড়িতে যান। সেখানে কথায় কথায় ২ জনের ✅বচসা বাঁধে। তার জেরেই লক্ষ্মী ও তাঁর ২ শিশু সন্তানকে খুন করে নয়ন।
খুনের পর লক্ষ্মীর মোবাইল ফোনটি নিয়ে সেখান থেকে পালায় নয়ন। 🅠এর পর যোগাযোগ করে বন্ধু সুনীল মৃধার সঙ্গে। মল্লারপুর থানার বেলগাছি থানা এলাকার বাসিন্দা সুনীল নয়নকে মল্লারপুর থানা এলাকার দিয়ারা গ্রামে এক জায়গায় লুকিয়ে রাখে।
বীরভূমের পুলিশ সুপার অমনদীপ জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্তে ৮ জনের বিশেষ দল গঠন করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ আধিকারিকরা দিয়ারা গ্💫রাম থেকে নয়ন ও সুনীলকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকꦫে উদ্ধার হয়েছে লক্ষ্মী মাড্ডির মোবাইল ফোনটি।
জেরায় ধৃত নয়ন জানিয়েছে, লক্ষ্মীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত 🗹সম্পর্ক𝄹 ছিল তাঁর। কিন্তু কী নিয়ে বিবাদের জেরে বধূ ও তাঁর ২ সন্তানকে সে নৃশংসভাবে খুন করল তা অবশ্য জানা যায়নি।