Kolkata Tangra Case Update:পারিবারিক ব্যবসাকে বড় করার লক্ষ্যে অনেককেই নিজেদের সংস্থায় যুক্ত করে নিয়েছিলেন প্রণয় ও প্রসূন দে। দিয়েছিলেন ডাইরেক্টর পদ। তাদেরই অন্যতম প্রণবকুমার দে ও নমিতা দে। প্রণয়-প্রসূনের কাকা ও কাকিমা। একই পাড়ার প্রতিবেশী তথা আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলতে বেশ বেগ পেতে হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ছবি না তোলা ও ভিডিয়ো না করার শর্তে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে কথা বললেন কাকিমা নমিতা দে।
মহিলা বলে ব্যবসা সম্পর্কে…
ডাইরেক্টর পদে নাম ছিল ঠিকই, কিন্তু বাড়ির মহিলাদের এসব ব্যাপারে মাথা ঘামানোর কোনও দরকার পড়ত না। পক্ষান্তরে, মাথা ঘামাতে দেওয়া হত না। ফলে ব্যবসা সংক্রান্ত তিনটি সংস্থার দায়িত্ব থ൲াকলেও কখনও ডাইরেকটর হিসেবে মিটিং বা বৈঠকে থাকতে হয়নি তাঁকে। অন্যদিকে তাঁর স্বামী প্রণববাবুও (প্রণবকুমার দে, কাকু) তিনটে সংস্থার দায়িত্বে ছিলেন। কাজের কেমন চাপ ছিল? সেই বিষয়েও সম্পূর্ণ অন্ধকারে নম🍌িতা।
HT বাংলা - মিটিংয়ে যেতেন?
নমিতা - হ্যাঁ
HT বাংলা - শেষ কবে গিয়েছেন?
নমিতা - কী করেছে জানি না, ওরা ছেলেরা ছেলেরাই করেছে।
HT বাংলা - যে যে সংস্থাগুলিতে আপনি বা প্রণববাবু ছিলেন?
নমিতা - তাও জানি না
পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিত দে পরিবার?
আত্মীয়দের সঙ্গে মেলামেশা কেমন করতেন দে পরিবার? নমিতা দে জানাচ্🎉ছেন, ‘আসলে আমি ঘর থেকে বেশি বেরোই না। বেরোলে ওই রাস্তায় দেখা হলে হাই, হ্যালো পর্যন্ত হত।’ পারিবারিক অনুষ্ঠানে যেতেন? বা পুজো-আচ্চায়? নমিতা জানান, ‘হ্যাঁ, ওঁ𓃲র মা মারা যাওয়ার পর গিয়েছিলাম। কিন্তু লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো ইত্যাদি তো যে যার বাড়িতে করেন। ফলে আমাদের ডাকার অতটা ব্যাপার ছিল না। অনেক আগে ডাকত।’
হ্যাপি ফ্যামিলি ছিল…
এরকম ঘটনা যে ঘটতে পারে, তাঁর আঁচ পেয়েছিলেন কোনও কথায়? কাকিমা নমিতা দে জানান, ‘না আগে বুঝতে পাইনি’ তাঁর কথায়, ‘পরিবার হিসেবে প্রত্যেকেই খুব ভালো ছিল। ভাইপোরা যেমন ভালো ছিল, তেমন তা🍃দের স্ত্রীরাও। ঘুরতেও যেত একসঙ্গে ছজন। যাকে বলে হ্যাপি ফ্যামিলি।’ দাম্পত্যকলহের কোনও ঘটনা দেখেছেন ওদের মধ্যে? ‘না সেরকম কোনওকিছু কখনও দেখিনি বা শ𓂃ুনিনি।’
আরও পড়ুন - Tangra Incident Update: ট্যাংরার বা🐓ড়িতে তিনজনকেই 'খুন', ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে আর কী আছে?
তাহলে ‘খুন’ কেন
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট জানাচ্ছে, মৃতরা নিজে আত্মহত্যা করেননি, তাদের ‘খুন’ করা হয়েছে বলে অনুমান। কিন্তু বিষয়টি খুন হলে তার পিছনে যথেষ্ট মোটিভ থাকাও জরুরি। দে পরিবারের পরিচিত সকলেরই স্বীকারোক্তি যথেষ্ট সজ্জন ছিলেন দুই ভাই প্রণব ও প্রণয়। প্রতিবেশীদের মধ্যে এই🔴 বিষয়টি ‘মার্ডার কেস’ বলে সন্দেহ করছেন অনেকেই। কিন্তু দুই ভাইয়ের চরিত্রের সঙ্গে নাকি তা ঠিক মেলে না। তাহলে কি আত্মহত্যার তত্ত্বই সঠিক? আত্মহত্যা নিশ্চিত করতেই ফের ছুরি চালানো হয়েছিল? আপাতত তদন্তকারী অফিসারের আগামী রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে সারা বাংলা।