শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের উপরে তেমন হামলার ঘটনা ঘটেনি। এমনই দাবি💖 করলেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ'-র (বিজিবি) প্রধান মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকি। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ডিজি দলজিৎ সিং চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকের পরে বিজিবি প্রধান বলেন, 'সম্প্রতি (বাংলাদেশে) সংখ্যালঘুদের উপরে হামলার যে ঘটনা ঘটেছে, সেগুলিকে অতিরঞ্জিত বলব আমি। আর সত্যি বলতে কী, সংখ্যালঘুদের উপরে সেরকম হামলার ঘটনা ঘটেনি।'
মূলত রাজনৈতিক সমস্যা….দাবি বিজিবি প্রধানের
হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের উপরে হামলার ঘটনাকে ছোট করে দেখিয়ে বিজিবি প্রধান দাবি করেছেন, সার্বিকভাবে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নেই। যেটুকু যা ছিল, সেটা মূলত রাজনৈতিক সমস্যা ছিল। কিন্তু সেটা নিশ্চিতভাবে সংখ্যালঘুদের উপরে ছিল না। মূলত সংবাদমাধ্যমেই এরকম খবর সামনে এসেছে। যা নিয়ে রাজনীতিবিদের মন্তব্য করার লোভ দেখাবে। গত ৫ অগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরে প্রাথমিকভাবে কয়েক মাসে এরকম ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করেন বᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚিজিবি প্রধান।
দুর্গাপুজো অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল, দাবি বিজিবি প্রধানের
‘প্রমাণ’ হিসেবে বিজিবি প𒁏্রধান দাবি করেন, ‘এটার (তিনি যা বলেছেন) প্রমাণ হল যে সম্প্রতি যে দুর্গাপুজো হয়েছে, সেটা অন্যতম শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজিত হিন্দু উৎসব ছিল। বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলিকে সরকার একেবারে সুনির্দিষ্টভাবে এবং কঠোরভাবে দায়িত্ব দিয়েছিল, যাতে (নিয়ম মেনে রীতিনীতি) পালন করতে পারে হিন্দু সম্প্রদায়।’
আরও পড়ুন: ভারতে এসে একের পর এক বিয়ে বাংলাদে♔শি মহিলার! ভয় দেখিয়ে লুটত টাকা, ধরল পুলিশ
কোনও ঝুঁকি না থাকলেও সুরক্ষা প্রদান করেছি, দাবি বিজিবি প্রধানের
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ‘(সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের) থেকে অনেক স🎃ময় একাধিক আর্জি পাওয়া গিয়েছে। কখনও কখনও কোনওরকম ভয়ের ব্যাপার ছিল না। কখনও কখনও কোনওরকম বিপদের আশঙ্কা ছিল না। এমনকী (সংখ্꧂যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে হামলা চালানো হবে বলে) যথেষ্ট কোনও প্রমাণ না থাকলেও আমরা সুরক্ষা প্রদান করেছি।’
সীমান্ত নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে, দাবি বিজিবি প্রধানের
তারইমধ্যে বিজিবির প্রধান জানিয়েছেন, সীমান্তে বেড়া দেওয়া নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে।🌠 গত বছর হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে প্রথম ডিজি পর্যায়ের বৈঠক হয়। আর সে♕ই বৈঠকের পরে বাংলাদেশের বাহিনীর প্রধান দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর ভারত যে বেড়া বসাচ্ছে, সেরকম একাধিক ঘটনা নিয়ে তারা আপত্তি জানিয়েছে।
স্পষ্ট বার্তা বিএসএফের
তারইমধ্যে বিএসএফের ডিজি স্পষ্টভাবে জানিয়ে🍎ছেন, সীমান্ত যাতে সুরক্ষিত থাকে এবং কোনওরকম অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে, তা যেন বিজিবি নিশ্চিত করে। বাংলাদেশি অপরাধীরা ভারতীয় লোকজন এবং বিএসএফের আধিকারিকদের উপরে হামলা না চালায়, তা নিশ্চিত করারও বার্তা দিয়েছেন বিএসএফের ♋ডিজি।
তিনি আরও জানিয়েছেন, বিএসএফ এবং ভারতের 🍸ন🍸াগরিকদের উপরে যে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়, সেই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে বৈঠকে। ভারত সরকার প্রাথমিকভাবে এমন অস্ত্র ব্যবহারের নীতি অনুসরণ করে, যা প্রাণঘাতী নয়। কখনও কখনও রাতের অন্ধকারের সুবিধা নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা।