প্রায় শেষ লগ্নে পৌঁছে গিয়েছে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৫। টপ ৬ প্রতিযোগীকে পেয়ে গিয়েছে এবারের সিজন। আর এই ৬ জনের মধ্যে ৩ জন বাঙালি, যাঁদের অন্যতম হলেন শুভজিৎ চক্রবর্তী। তিনি হিন্দি গান তো বটেই বাংলা গানের জাদুও একাধিকবার এই মঞ্চে ছড়িয়েছেন। আর 🌊এদিন তাঁর সঙ্গে মিলে নিজের কোন স্বপ্ন🦄 পূরণ করলেন শ্রেয়া ঘোষাল?
আরও পড়ুন: 'আমায় ইদ মুবারক জানাবেন না', ঘোষণা তসলিমꦕার, হঠাৎ কী হল 'লজ্জা' লেখিকার?
আরও পড়ুন: 'মানুষ সৃষ্টি' করেছেন শুভশ্রী! ফের 'ভুল' ইংরেজি বলে ট্রোল্ড রাজ-পত🦋্নী!
কী ঘটেছে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৫ তে?
এদিন একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে শুভজিৎ চক্রবর্তী তাঁর পারফরমেন্স শেষ করার পরও মিউজিক বেজে চলছে। আর শ্রেয়া ꦓনির্দেশ দেন যেন সেই বিট চলতে থাকে। তারপর তিনি বলে ওঠেন, 'আমার বহু দিনের স্বপ্ন আমি ওর সঙ্গে এই বাঙালি লোকগান গাইব।' বলে উঠে যান এবং বাংলার জনপ্রিয় ভাটিয়ালি গান আমায় ভাসাইলি রে গানটি ধরেন। তাঁর সুরে মুগ্ধ হন বিশাল দাদলানি, বাদশা। চমকে ওঠেন ৩০ মার্চের পর্বের বিশেষ অতিথি সুখবিন্দর সিংও। এরপর মঞ্চে শ্রেয়া এবং শুভজিৎকে এই গানটি যৌথ ভাবে গাইতে শোনা যায়।
প্রসঙ্গত, শুভজিৎ চক্রবর্তী অডিশন পর্বে সুরিলি আঁখিও ওয়ালে গানটির সঙ্গে আমায় ভাসাইলি রে গানটি মিশিয়ে শুনিয়েছিলেন। এদিন যেন সেটারই পুনরাবৃত্তি ঘটল। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার একাধিক হিন্দি, বলিউডি গানের সঙ্গে বাংলা গান মিশিয়ে তাক লাগিয়েছেন বাংলার এই পানওয়ালা। এই তো কিছুদিন আগেই ২৯ মার্চ, শনিবারের পর্বে শুভজিৎ চক্রবর্তী বলিউডি ছবি ফানা থেকে চাঁদ সিফারিশ গানটি গান। আর তার সঙ্গে মিশিয়ে দেন বাংলার জনপ্রিয় লোকগান দাদা পায়ে পড়ি রে। তাঁর এই দুই গানের মিশেল শ্রেয়া 𝓰ঘোষাল ধরতে পারলেও বাকি বিচারকরা অর্থাৎ বিশাল দাদলানি এবং বাদশা ভাষা বুঝতে পারেন না। কিন্তু তাতে কী? বাংলার ছেলের গলার জাদুতেই তাঁরা মুগ্ধ হন। রীতিমত উপভোগ করেন গানটি।
আরও পড়ুন: জ্বালাপোড়া গরমে ঝাড়খণ্ডের ধূধূ প্রান্তরে দেব! রঘু ডাকাওতের দ্বিতীয় শিডিউল শুরুর আগে কী ঘটালেন?
ইন্ডিয়ান আইডল ১৫ প্রসঙ্গে
প্রসঙ্গত ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৫। এই শোটি প্রতি শনিবার এবং রবিবার রাত ৯ টা থেকে সোনি চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে। বিচারকের আসনে আছেন শ্রেয়া ঘোষাল, বাদশা এবং🌟 বিশাল দাদলানি। এবারের টপ ৬ এ আছেন শুভজিৎ চক্রবর্তী, মানসী ঘোষ, চৈতন্য দেবাদে, অনিরুদ্ধ সুসওয়ারাম, স্নেহা এবং প্রিয়াংশু দত্ত।