এমনিতেই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে কেকেআরের রেকর্ড নিতান্ত খারাপ ছিল। সেই ট্রেন্ড বজায় রইল আরও একবার♓। ❀ফের মুম্বইয়ের ঘরের মাঠে আত্মসমর্পণ করে ম্যাচ হারল নাইট রাইডার্স। আপাতত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে কেকেআরের ম্যাচ হারের সম্ভব্য ৬টি কারণে চোখ রাখা যাক।
১. নাইটদের পরিকল্পনাহীন লড়াই
আইপিএলে রাতের ম্যাচে টস ജবড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। কেকেআর দলনায়ক অজিঙ্কা রাহানে টস হেরে বসায় নাইটদের শুরুতে ব্যাট করতে হয়। যদিও রাহানে চাইছিলেন রান তাড়া করতে। কেননা তিনি স্পষ্ট জানান যে, ওয়াংখেড়ের পিচ নিয়ে নির্দিষ্ট করে কোনও ধারণা করতে পারছেন না তিনি। পিচ পড়তে না পারলে যথাযথ কম্বিনেশন নির্ধারণ থেকে গেম প্ল্যান স্থির করা, সবেতেই সমস্যায় পড়তে হয়। সুতরাং, 🎀এটা বলা মোটেও ভুল হবে না যে, নিতান্ত পরিকল্পনাহীনভাবেই ওয়াংখেড়েতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামে নাইট রাইডার্স।
২. পাওয়ার প্লে-তে ব্যাটিং ভরাডুবি
আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টে অনেক সময় পাওয়ার প্লেই স্থির করে দেয় ম্যাচের ভবিষ্যৎ। সোমবার ওয়াংখেড়েতে কেকেআর পাওয়ার প্লে-তে ৪টি উইকেট হারায়। পাওয়ার প্লে-র ঠিক পরে ইনিংসের সপ্তম ওভারের মাথাতেই ৫ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে নাইট রাইডার্স। সুতরাং, বাকি সময়ে আর যাই হোক,☂ ডাকাবুকো ব্যাটিং সম্ভব ছিল না কেকেআরের পক্ষে। তাই এটা নিশ্চিত হয়ে যায় যে, মুম্বইয়ের সামনে বড়সড় টার্গেট ঝুলিয়ে দেওয়া সম্ভব নয় কেকেআরের পক্ষে।
৩. ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে বৈভবকে নামাতে না পারা
ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিতে নাইট রাইডার্স প্রথম ইনিংসেই অংকৃষ রঘুবংশীকে বসিয়ে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নামায় মণীশ পান্ডেকে। মণীশ ১৪ বলে ১৯ রান করে আউট হন। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে পেসার বৈভব আরোরাকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নামানোর সুযোগ ছিল না কেꦍকেআরের সামনে। বৈভবকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হ𝔉িসেবে ব্যবহার করাই ছিল কেকেআরের প্ল্যান-এ। সুতরাং, ওয়াংখেড়েতে পেসাররা সাহায্য পেলেও একজন বিশেষজ্ঞ পেসারকে ডাগ-আউটেই বসিয়ে রাখতে হয় কলকাতাকে। বাধ্য হয়েই রাসেলকে বল করায় কেকেআর। রাসেল ২টি উইকেট নিলেও ওভার প্রতি ১২.৩৫ রান করে খরচ করেন। তিনি ২.৫ ওভারে ৩৫ রান খরচ করেন।
৪. ওয়াংখেড়ের রেকর্ড কার্যত চাপে রাখে কেকেআরকে
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সের রেকর্ড নিতান্ত হতাশাজনক। ১১টি ম্যাচের মধ্যে ৯টিতে হেরে সোমবার ওয়াংখেড়েতে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামে কেকেআর। সুতরাং, অতীতের নজির ছাপিয়ে খেলা ঘুরিয়ে দেওয়ার মানসিকতা চোখে পড়েনি কেকেআর শিবিরে। বরং কেকেআরের কুঁকড়ে🗹 থাকা মানসিকতার জন্যই মুম্বই এই মা♒ঠে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আধিপত্য বাড়িয়ে নেয় ১০-২ ব্যবধানে।
৫. অশ্বিনীকে টার্গেট করেই ভুল করে বসে কেকেআর
মুম্বই শিবিরে ট্রেন্ট বোল্ট, দীপক চাহারের মতো অভিজ্ঞ বোলারদের উপস্থিতিতে কেকেআরের ব্যাটাররা হিটলিস্টে রাখেন মুম্বইয়ের অনকোরা পেসার অশ্বিনী কুমারকে। অভিষেককারী পেসারকে মারার জন্য বেছে নিয়েই ভুল করে বসেন নাইট তারকারা। অচেনা বোলারের বিরুদ্ধে𝓡 আক্রমণে গিয়েই পরপর উইকেট খোয়ায় নাইট রাইডার্স। অশ্বিনী ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন।
৬. স্পিনারদের ব্যর্থতা ভোগায় কেকেআরকে
সর্বোপরি কেকেআর বরাবর স্পিনারদের উপর নির্ভর কর🍸ে ম্যাচ জেতার চেষ্টা করে। ওয়াংখেড়েতে জয়ের টার্গেট ছোট হওয়ায় বরুণকে দেখেশুনে খেলে দেন মুম্বইয়ের ব্যাটাররা। নারিনকে আক্রমণ করে মাথায় চড়তে দেননি তাঁরা। দুই নাইট স্পিনা꧃র উইকেটহীন থাকায় পালটা লড়াই চালানো সম্ভব হয়নি কেকেআরের পক্ষে।