অভিনেত্রী পূজা হেগড়ে অবাক হয়েছিলেন যখন তিনি জানতে পেরেছিলেন যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ট্রোল করার জন্য কিছু লোকজনকে টাকা দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পূজা জানান যে, এটা অদ্ভুত যে অভিনেতাদের টার্গেট করে নামিয়ে আনার জ♉ন্য প্রায়শই এই ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়। আর তাঁর কথা থেকে ইন্ড্রাস্টিতে যাঁরা নতুন তাঁদের সঙ্গে যে ধরনের ব্যবহার করা হয়।
ফিল্❀মফেয়ারে এক সাক্ষাৎকারে, পূজা নেতিবাচক𒁃 পিআর কৌশল এবং টার্গেটেড ট্রোলিং সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন: ইমন চ🦄ক্রবর্তীর অপেরা ‘তোমায় দেখব বলে’র 🀅টিকিটের দাম কত জানেন? এক একটা জোনের নামেও রয়েছে চমক
পূজা বলেছেন, ‘অনেকবার আমার সঙ্গে এটা হয়েছে। আমার ক্ষেত্রে, এটা একটা শক ছিল। একটা জিনিস আমার সত্যিই খারাপ লেগেছিল সেটা হল পিআর। আমার মনে আছে, একটা সময় ছিল যখন মিম পেজগুলো আমাকে ক্রমাগত ট্রোল করত। আমি ভাবতাম এরা ক্রম♛াগত আমার সম্পর্কে নেতিবাচক কথা কেন বলছে? এটা টার্গেটেড মনে হচ্ছিল। অনেকেই অন্যদের নাম খারাপ করার অনেক টাকা খরচ করেন। যখন আমি এ ব্যাপারে জানতে পারি, তখন আমার বাবা-মা ও আমি খুবই বিরক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু আমি এটাকে ভালো ভাবে নিয়েছিলাম, কারণ যদি কেউ আমাকে নামিয়ে আনার প্রয়োজন বোধ করে, তাহলে এর মানে হল আমি তাদের থেকে এগিয়ে আছি। আমি আমার বাবা-মাকে বারবার আশ্বস্ত করেছিলাম যে, সব ঠিক আছে। কিন্তু একটা সময়ের পর, এটা অত্যধিক হয়ে উঠেছিল। আমি জানতে পেরেছিলাম যে, অনেকে শুধু আমাকে ট্রোল করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছে।’
পূজা আরও জানিয়েছেন যে, জনপ্রিয় মিম পেজগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করে এর উৎস খুঁজে বের ক🍎রার জন্য তিনি তাঁর দলকে নির্দেশ দিলে, তিনি এই সব জানতে পারেন, তা জেনে খুবই অবাক হন। তিনি জানতে পারেন তাঁর বিরুদ্ধে এই সব মিম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য টাকাও দেওয়া𒈔 হচ্ছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার টিমকে মিম পেজগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলি। তাদের জিজ্ঞাসা করতে বলেছিলাম যে সমস্যাটা কী। তাঁরা আমার টিমকে বলেছিলেন, ‘ওঁরা আমাদের এত টাকা দিচ্ছꦑে। যদি আপনি এটা বন্ধ করতে চান বা ওঁদের বিরুদ্ধে ট্রোল করতে চান, তাহলে এত টাকা লাগবে।’ এটা শুনে আমার খুব অদ্ভুত লেগেছিল।’
পূজা শেষবার দেখা গিয়েছিল শাহিদ কাপুরের ‘দেবা’ ছবিতে। ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল।♛ ꦰবক্স অফিসেও খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।