কথাতেই আছে, খ্যাতির সঙ্গে হাত ধরাধরি করে আসে বিড়ম্বনা। তা খাটে সারেগামাপা বিজয়ী আরাত্রিকা সিনহার ক্ষেত্রেও। সবে গান🔯ের দুনিয়ায় ধীরে ধীরে পা রাখতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে তাঁর ঘাড়ে চাপল ‘অত্যাধিক পারিশ্রমিক’ চাওয়ার অভিযোগ। যদিও দেখা গেল, তাতে জবাব দিয়েছেন গায়িকার বাবা। মেয়ের পক্ষ রেখেছেন তিনি পালটা।
আরাত্রিকার বাবা সৌম্য সিনহার ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করেন এক ব্যক্তি। লেখেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় আরাত্রিকা। খুব ভালোবাসতাম। অনেকঅনেক পোস্টে লাইক কমেন্ট করতাম। একটা বিষয়ে হতাশ হলাম যে আমাদের জয়নগরে যে তিন দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেছি আমরা, তার শুভ উদ্বোধন🦋 করব আমাদের সবার প্রিয় আরাত্রিকার গলায় গণসংগীত দিয়ে। কিন্তু এতটা বেশি টাকার হিসেব দেখানো হয়েছে যে, আরাত্রিকার কথা ভাবা একপ্রকার অসম্ভব।’
দেখা গেল কমেন্টটির জবাব দিয়েছেন গায়িকার বাবা সৌম্য। লেখেন, ‘বাঁকুড়া থেকে জয়নগরের দূরত্ব কত? মিউজিসিয়ানদের একটা গাড়ি ও আরাত্রিকা এবং তার অভিভাবকের জন্য আরেকটা গাড়ি, মোট কত লাগবে? মিউজিসিয়ান ৬ জন এর পেমেন্ট কত লাগবে? আরাত্রিকা এতটা পথ জার্নি করে, মঞ্চে দেড় ঘন্টা গান গাইবে - সব মিলিয়ে কত টাকা হওয়া উচিত বলে মনে হয়? শিল্পীর পরিশ্রম🍬 হয় না?’

দেখা গেল কমেন্টে অন্যরাও নিয়েছে আরাত্রিকার পক্ষই। একজন লেখেন, ‘আপনার মধ্যে শিল্পীদের প্রতি যদি সামান্যতম শ্রদ্ধা বোধ থাকত, তাহলে ফেসবু🍷কে এভাবে কোন শিল্পীকে ছোট করার চেষ্টা করতেন না। যদিও আপনার কমেন্টে কিছু এসে যায় না। প্রকৃত শিল্পীদের সম্মান দিতে শিখুন... আপনার শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।’
আরেকজন লিখলেন, ‘আরাত্রিক🎃াকে ভালোবাসি মানে এই না যে, সে বিনা পারিশ্রমিকে গান গেয়ে চলে যাবে। তাকে এই জায়গায় পৌঁছতে অনেক সাধনা করতে হয়েছে। আমরা যদি সত্যি ওর ভালো চাই তাহলে ওর সেই পরিশ্রমের দাম দেব। যে ভালোবাসা স্বার্থ ফুরোলেই শেষ হয় তেমন ভালোবাসার প্রয়োজন কি? আর যদি সত্যিই আপনি আরাত্রিকার শুভাকাঙ্খী হতেন তব♓ে আপনি কখনোই এইভাবে কমেন্ট করতেন না।’
২০২৪ সালের সারেগামাপা-র ফাইনালিস্ট ছিলেন আরাত্রিকা সিনহা। যদিও প্রথম তিনে পৌঁছতে পারেননি♈। কিন্তু তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় কালিকাপ্রসদা অ্যাওয়ার্ড। প্রথম থেকেই গণসংগীতকে আলাদা মাত্রা দিয়েছিলেন তিনি সারেগামাপা-তে। পেয়েছিলেন ‘খুদে কমরেড’ ট্যাগও।