🅰জাম্বু নামে পরিচিত এই বিরল ভেষজ উত্তরাখণ্ডে পাওয়া যায়। উত্তরাখণ্ডের আঞ্চলিক খাবার হিসেবে এটি পরিচিত। শেফ পবন বিষ্টের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট অনুসারে, 'জাম্বু উত্তরাখণ্ডের একটি লুকানো রত্ন যা এখনও বিশ্বের কাছে অপরিচিত। উত্তরাখণ্ডে পাওয়া সমস্ত উপাদানের মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী স্বাদ বা টেম্পারিং এজেন্ট।
আরও পড়ুন: 🍬প্রিয় আচার কি খারাপ হয়ে গিয়েছে? ৫ লক্ষণ দেখলেই বুঝে যাবেন
𝓰পবনের পোস্ট অনুসারে, ‘এই অসাধারণ ভেষজটি পেঁয়াজ-পরিবারের অন্তর্গত। এর স্বাদও পেঁয়াজের মতো খানিকটা। এটা গোলাপি ফুল এবং পাতা যুক্ত একটা বহুবর্ষজীবী ভেষজ। এটি তার তীব্র স্বাদের জন্য পরিচিত। উত্তরাখণ্ডে এটা নুন, লঙ্কা এবং হলুদ দিয়ে ভেজে রুটি বা ভাতের সঙ্গে খাওয়া হয়। এই ভেষজের সুবাস এত তীব্র যে কেউ সহজেই কয়েক কিলোমিটার দূরে থেকে জাম্বুর গন্ধ পেতে পারে।'
𒆙এই ভেষজটির মূলত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাওয়া যায়। তবে সারা বছর ধরে রান্নার জন্য এটি শুকানো করে সংরক্ষণ করা হয়। ভারতীয় এই বিরল ভেষজটির বর্তমানে পৃথিবীর নানা প্রান্তে বিক্রি করা হয়। উত্তরাখণ্ডের পাশাপাশি, এটি নেপাল এবং তিব্বতের কিছু অংশেও পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: 💫পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই গ্রিন টি দিয়ে করুন ফেসিয়াল, উপকারের লিস্ট এত লম্বা
⛦এই প্রাকৃতিক ভেষজটি মূলত স্যুপ, আচার এবং এমনকি মাংস তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপাল এবং উত্তরাখণ্ডে রান্নাতেও এই ভেষজটি ব্যবহৃত হয়। ২০১০ সালে প্রকাশিত ‘Affair of ugly dried herb and unassuming lentil’ নামক একটি গবেষণা অনুসারে, ঘি দিয়ে ভাজা শুকনো জাম্বুর ডাঁটা খাবারের স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে যে, নেপালে ডালের সঙ্গে এটি ব্যবহার করা হয়। জাম্বুতে প্রচুর পরিমাণে গ্লুটামেট থাকে, সঙ্গে অ্যামিনো অ্যাসিডও রয়েছে।
🅠বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভেষজ নিয়মিত ব্যবহার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, হার্ট ভালো রাখে, হজমে সাহায্য করে, ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধেও লড়াই করে। মহিলাদের ক্ষেত্রে, এটি মাসিকের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে, স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্যও এটি ভালো। শেফ পবন বিষ্টের মতে, 'এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা ত্বক, চুলের জন্যও ভালো। তাছাড়াও জ্বর, সর্দি, কাশি, পেটের ব্যথা, গলা ব্যথাতেও কার্যকরী'।