ইদ-উল-ফিতরে রাস্তায় নমাজ পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশের মীরাট পুলিশ। আর সেই নিষেধাজ্ঞার আবহে দারুল উলুম দেওবন্দের তরফ থেকেও আবেদন করা হয়, কেউ যেন রাস্তায় নমাজ আদায় না করে মসজিদে বা ইদগাহতে যান। দেওবন্দের কার্যকরী উপাচার্য মৌলানা আবদুল খালিক মাদ্রাসি বলেন, 'ইদ-উল-ফিতর একটা খুশির উৎসব। রমজান জুড়ে রোজা রাখার পর এটা একটা উপহার। এই উপলক্ষে মসজিদ বা ইদগাহতে নমাজ আদায় করাই সবচেয়ে উপযুক্ত।' (আরও পড়ুন: মোথাবাড়িতে শাঁখা-পলা পরতে বাধা পুলিশের? পদ꧒ক্ষেপের পথে জাতীয় মহিলা কমিশন)
আরও পড়ুন: পাকিস্তান🥀ে 'অজ্ঞাত পরিচয়' বন্দুকবাজের গুলিতে নিহত নিষিদ্ধ সুন্ন🐠ত জামাত নেতা
এর আগে মীরাট পুলিশ সুপার (শহরাঞ্চল) আয়ুশ বিক্রম সিং জানিয়েছিলেন, উৎসবের সময় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই আদেশ জারি করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তায় নমাজ পড়লে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল পুলিশ। এমনকী পাসপোর্ট ও লাইসেন্স পর্যন্ত বাতিল করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালে রাস্তায় নমাজ পড়ার জন্য ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আজ আলিগড়ে নমাজ আদায়ের জন্যে দুটি বিশাল জমায়েতের আয়োজন করেছিল প্রশাসন। ইদগাহ ময়দানে একটি জমায়েত হয়েছিল সকাল ৭টা নাগাদ। পরেরটি ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ। (আরও পড়ুন: ‘মুসলিম ভাইদের…’, মোথাবাড়ির অশান্তি নিয়ে �🌠�মুখ খুললেন তৃণমূলের সাবিনা ইয়াসমিন)
আরও পড়ুন: স্বামীর ইচ্ছা෴য় জোর করে স্ত্রীর কুমারীত্ব পরীক্ষা করাཧনো যায়? বড় পর্যবেক্ষণ HC-র
পুলিশের তরফ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, মসজিদ এবং ইদগাহের মতো নিᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚর্দিষ্ট জায়গায় নমাজ পড়তে হবে। রাস্তাঘাটে জমায়েত করে পথ অবরুদ্ধ করা যাবে না। পুলিশ জানায়, নিরাপত্তার জন্য ড্রোন, সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়েছে। প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনী থেকে শুরু করে র্যা⛎পিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন আছে। এর আগে গত বুধবার কোতোয়ালি থানায় শান্তি কমিটির বৈঠকে এএসপি শ্রীশ চন্দ্র জানিয়েছিলেন যে, ইদের নমাজ শুধু মসজিদ এবং ইদগাহেই পড়া উচিত। তিনি আরও বলেন, মসজিদের কাছে বাড়ির ছাদে নমাজ পড়লেও তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই আবহে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এমনকী এনডিএ শরিক আরএলডি প্রধান জয়ন্ত চৌধুরীও পুলিশের সমালোচনা করেছিলেন এই নির্দেশিকার জেরে। তবে পুলিশের সুরই শোনা গেল দেওবন্দের তরফ থেকেও।