বিগত দেড় বছর ধরে ভারতে পেঁয়াজ রফতানির ওপর বিধিনিষেধ জারি ছিল। এই আবহে বাংলাদেশে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে এবার ভারতের তরফ থেকে রফতানি শল্ক তুলে নেওয়া হল এবার। এই আবে ইদের আগে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম কমতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে 'প্রথম আলো'র রিপোর্টে। এর আগে এত দিন ভারত সরকার পেয়াঁজ রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছিল। (আরও পড়ুন: ক্যান্টনমন্টে দীর্ঘ বৈঠক𒁏 বাংলাদেশ সেনার, গল্প বানিয়ে এবার চাপে পড়বে 'বাচ্চারা'?)
এদিকে প্রথম আলোর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজারে এখন নতুন পে🉐ঁয়াজ এসেছে। এই আবহে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম মোটামুটি নিয়ন্ত্রণেই আছে। আর তাই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমেছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগে প্রতি মাসে গড়ে ৫০ হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি করত বাংলাদেশ। তবে জানুয়ারি মাসে সেই পরিমাণ কমে ২৯ হাজার টন হয়। আর ফেব্রুয়ারি মাসে তা ছিল ২৪ হাজার টন।
এদিকে বাংলাদেশি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতের রফতানি শুল্ক প্রত্যাহারের পর বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও কমতে পারে। এদিকে সাধারণ ভোক্তাদের পকেটে চাপ কমলেও মাথায় হাত পড়তে চলেছে বাংলাদেশের কৃষকদের মাথায়। পেঁয়াজ চাষীরা এই মরশুমে ভালো দাম থেকে বঞ্চিত হবেন বলে আশঙ্কা করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। হিসেব দিয়ে প্রথম আলোর তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে ভারত থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁ𒅌য়াজের পাইকারি দাম পড়ছে ৪১ থেকে ৪২ টাকা। খুচরো বাজারেই সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। এদিকে বাজারে এখন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা। এদিকে শুল্ক প্রত্যাহার করায় ২৫ থেকে ৩০ টাকায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে। এই আবহে বাংলাদেশের খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম বর্তমানে রেটের নীচে নেমে যাবে।
এই আবহে বাংলাদেশ সরকারের কৃষি বিভাগ পেঁয়াজ আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে প্রথম আলোর রিপোর্টে। সেখানে জানানো হয়েছে, ভারত থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত আমদℱানির অনুমতি দেওয়া হয়েছেꦇ ইউনুস সরকারের তরফ থেকে। এরপরে পেঁয়াজ আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে পেঁয়াজের দামের ভারষাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হতে পারে।