রামনবমীর আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। গতবছর রাম নবমীকে কেন্দ্র করে শহরে একাধিক মিছিল হয়েছিল। বেশ কিছু জায়গায় মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেভিক। তাই এবার রামনবমীতে শহরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগেভাগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করল পুলিশ। ওইদিন নিরাপত্তা বজায় রাখতে শহরজুড়ে মোতায়েন থাকবে ৫০০০ হাজার পুলিশ। এছাড়াও, নজরদারি বাড়ানোর জন্য সিসিটিভির স্বাস্থ্য পরীকꦐ্ষার নির্দেশ দিয়েছে লালবাজার। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকাগুলিতে গত বছর রামনবমীর বড় বড় সমাবেশ, মিছিল হয়েছে সেই থানাগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, পরীক্ষার সময় কোনও সিসিটিভিতে ত্রুটি থাকলে অবিলম্বে সেগুলি মেরামত করতে হবে।
আরও পড়ুন: ‘রামনবমীকে কেন🐭্দ্র করে পর্যাপ্ཧত ব্যবস্থা করা হচ্ছে’, সতর্কবার্তা মনোজ ভার্মার
সূত্রের খবর, বড়বাজার, পোস্তা, জোড়াবাগান, গিরিশ পার্ক, জোড়াসাঁকো, হেয়ার স্ট্রিট, বৌবাজার, কাশীপুর, সিঁথি, চিৎপুর, টালা, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, এন্টালি, বেনিয়াপুকুর, তোপসিয়া, বালিগঞ্জ, কালীঘাট, গড়িয়াহাট প্রভৃতি এলাকায় এলাকায় থানাগুলিকে নজরদারি বাড়ানোর জন্য সিসিটিভি পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, চেতলা, আলিপুর, ওয়াটগঞ্জ, সাউথ পোর্ট, নর্থ পোর্ট, হেস্টিংস, প্রভৃতি এলাকা সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় থানাগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সব থানাকে রামনবমীর মিছিল🧜ের আয়োজকদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছে লালবাজার। তাতে বলা হয়েছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশ যাতে মিছিলে মেনে চলা হয়,♕ তা নিয়ে আয়োজকদের সতর্ক করতে হবে। বিশেষ করে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা কোনওভাবেই যেন অস্ত্র বহন না করেন এবং ডিজের ব্যবস্থা না করেন সেবিষয়ে আয়োজকদের সতর্ক করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছর রামনবমীতে শহর জুড়ে প্রায় ৬০টি মিছিল হয়েছিল। এন্টালি সহ কিছু এ🧸লাকায় নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে তাই আগে থেকেই আয়োজকদের সতর্ক করতে বলা হয়েছে।এবিষয়ে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছর প্রায় ৫,০০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এবছর রামনবমীর দিন একই সংখ্যা থাকবে। লালবাজারের তরফে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যদি কেউ নিয়ম লঙ্ঘন করেন তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্রের খ🏅বর, রামনবমীতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা একাধিক স্থান পরিদর্শন করে খতিয়ে দেখবেন। এছাড়াও, মিছিলে ডিউটিতে থাকা পুলিশ কর্মীদের শরীরে বডি ক্যামেরা থাকবে। কিছু গুরুত্বপুর্ণ এলাকায় থাকবে ড্রোনের নজরদারি।