প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার অভিযোগ! বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ড অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল (জেএসি) হিন্দি ও বিজ্ঞান বিষয়ের দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা বাত🌃িল করেছে।
হিন্দি পরীক্ষা হয়েছিল ১৮🍃 ফেব্রুয়ারি♔ এবং বিজ্ঞানের পরীক্ষা ছিল বৃহস্পতিবার।
'সমস্ত পড়ুয়া, তাদের অভিভাবক, সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষ, কেন্দ্র সুপারিনটেনডেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হচ্ছে যে সোশ্যাল মিডিয়া এবং সংবাদপত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম বৈঠকে অনুষ্ঠিত হিন্দি (কোর্স এ এবং কোর্স বি) বিষয়ের পরীক্ষা এবং ২০ ফেব্রুয়ারি প্রথম বৈঠকে বিজ্ঞান বিষয়ের ❀পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এক নোটিশে এ কথা বলা হয়েছে।
পরে এসব বিষয়ে ফের পরীক্ষা নেওয🍌়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, 'প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর এসেছে কোডারমার কাছ থেকে। জেএসি ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোডারমার জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন চেয়েছে। রাজ্যের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতরের সচিব উমাশঙ্কর সিং জানিয়েছেন, রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর পরবর্তী ব্য෴বস্থা নেওয়া হবে।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঝাড়খণ্ড জুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে শুরু হযဣ়েছে দশম শ্রেণির ম্যাট্রিকুলেশন ও দ্বাদশ শ্রেণির (ইন্টারমিডিয়েট) বোর্ড প𓆏রীক্ষা।
দুটি 🅺বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে ৭.৮৪ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী তালিকಌাভুক্ত রয়েছেন।
দশম শ্রেণির পরীক্ষা প্রথম দফায় (সকাল ৯.৪৫ থেকে দুপু𒀰র ১টা) এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দ্বিতীয় দফায় (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫.১৫) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
১২৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে দশম শ্রেণির ৪.৩৩ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং ৭৮৯টি কেন্দ্রে ৩.৫০ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী ইন্🐬টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসেরও ঘটনায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে ঝাড়খণ্ডের বিজেপি প্রধান বাবুলাল মারান্ডি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রামদাস সোরেন এবং জেএসি চেয়ারম্যান নটওয়া হাঁসদার পদত্যাগ দাবি করেছেন।
সম্ভবত এই প্রথম ঝাড়খণ্ডে ম্যাট্ꦰরিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হল। এদিন সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় বিজ্ঞানের এই প্রশ্নপত্রটি। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর যখন প্রশ্নপত্রটি আসলের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তখন দেখা যায় প্রশ্নপত্রটি হুবহু একই রকম।
তিনি বলেন, ম্যাট্রিক 🎉পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।
শিক্ষামন্ত্রী ও জাক চেয়ারম্যানে💟র উচিত অবিলম্বে নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করা। রাজ্য সরকারের উচিত এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।